১৭ই জুন, ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ, এখন সময় রাত ৪:০৯ মিনিট
  1. অপরাধ
  2. অর্থ ও বাণিজ্য
  3. আড়াইহাজার
  4. আদালতপাড়া
  5. আন্তর্জাতিক
  6. আর্কাইভ
  7. ঈদ আড্ডা
  8. ঈদ আনন্দ
  9. কুষ্টিয়া
  10. কৃষি
  11. খুলনা
  12. খেলাধুলা
  13. চট্রগ্রাম
  14. চাকরি
  15. জনদূর্ভোগ
 

উল্লাপাড়ায় আমান ফিড ও সিমেন্ট ফ্যাক্টারীর ডিজিএম ও এডমিন অফিসারের বিরুদ্ধে কৌশলে লক্ষ লক্ষ টাকা চাঁদাবাজি এবং মজুরি আত্মসাৎ-এর অভিযোগ

প্রতিবেদক
joysagortv
মে ৫, ২০২৪ ৩:৪৮ পূর্বাহ্ণ

স্টাফ রিপোর্টার:
সিরাজগঞ্জের উল্লাপাড়ায় আমান ফিড ও সিমেন্ট ফ্যাক্টারীর ডিজিএম সালাউদ্দিন ও এডমিন অফিসার মোস্তাফিজুরের বিরুদ্ধে বহিরাগত একই ব্যক্তিকে ট্রান্সপোর্টার ও শ্রমিক সর্দারের দায়িত্ব দিয়ে লক্ষ লক্ষ টাকা চাঁদবাজী ও শ্রমিকদের মুজুরি আত্মসাৎ এবং প্রকৃত শ্রমিকদের ছাটাই ও ন্যায্য মজুরি না দেওয়ায় অভিযোগ উঠেছে।
অনুসন্ধানে জানা যায়, দেশের সুনামধন্য ব্যবসা প্রতিষ্ঠান আমান ফিড ও সিমেন্ট ফ্যাক্টরীতে দীর্ঘদিন যাবত শ্রমিক ফেডারেশনের আওতায় প্রকৃত শ্রমিকরা তাদের সর্দারের নিয়ন্ত্রণে শ্রম কার্যক্রম পরিচালনা করে আসছিল। কিন্তু হঠাৎ গত ৩১ মার্চ ২০২৪ইং তারিখে প্রতিষ্ঠানের ডিজিএম সালাউদ্দিন ও এডমিন অফিসার মোস্তাফিজুর জোগসাজস করে মোটা অংকের অর্থের বিনিময়ে প্রকৃত শ্রমিক সর্দার শ্রমিক নেতা ওয়াহিদুল আলম খান (লিমন) সহ বহু শ্রমিকদের বাদ দিয়ে বহিরাগত ব্যক্তি কথিত শ্রমিক মহিদুল ইসলামকে ট্রান্সপোর্টার ও শ্রমিক সর্দারের দায়িত্ব দিয়ে তার মাধ্যমে পরিবহণ চাঁদাবাজি ও শ্রমিকদের প্রকৃত মজুরির প্রায় অর্ধেক কর্তন করে উক্ত অর্থ তারা আত্মসাৎ করছে বলে শ্রমিকরা অভিযোগ তুলেছেন।
এ ব্যপারে ভুক্তভোগী শ্রমিকরা গত ১লা মে স্থানীয় শ্রমিকদের ছাটাই ও সঠিক মজুরি না দেওয়ার অভিযোগে বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ করতে গেলে প্রশাসনকে ভুল বুঝিয়ে পুলিশ ও ক্যাডার বাহিনী দিয়ে শ্রমিকদের নির্যাতন করা হয়েছে বলেও অভিযোগ উঠেছে ডিজিএম-এর বিরুদ্ধে।একটি বিশ^স্ত সূত্রে জানা যায়, উক্ত প্রতিষ্ঠানে ডিজিএম সালাউদ্দিন ও এডমিন অফিসার মোস্তাফিজুরের সাথে কথিত শ্রমিক মহিদুল ইসলাম ১৫ লাখ টাকা মাসিক চাঁদা দেয়ার পরিপ্রেক্ষিতে উক্ত প্রতিষ্ঠানে শ্রমিক সর্দার ও ট্রান্সপোর্টারের দায়িত্ব নেয় বলে ভুক্তভোগী শ্রমিকরা অভিযোগ করেন। কিন্তু মহিদুল ইসলাম
প্রকৃত পক্ষে কোন শ্রমিক নয় বা তার কোন
শ্রমিক কার্ড বা ট্রোন্সপোর্ট লাইসেন্স নেই। এমনকি উক্ত কোম্পানীর সাথে কোন প্রকার ডিড বা চুক্তিপত্র নেই।
অপর দিকে, উক্ত ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের জন্য কাঁচা মাল খালাসের ক্ষেত্রেও নানা অনিয়ম ও অবৈধ অর্থের বিনিময়ে মাল খালাস করে বলে অভিযোগ রয়েছে প্রতিষ্ঠানের ডিজিএম সালাউদ্দিন ও কিউসি জাহাঙ্গীরের বিরুদ্ধে। এছাড়া ডিজিএম সালাউদ্দিনের বিরুদ্ধে একাধিক মহিলা শ্রমিকদের যৌন হয়রানিরও অভিযোগ রয়েছে। মহিলা শ্রমিকরা প্রকাশ্যে ডিজিএম সালাউদ্দিনকে লুচ্চা বলে আখ্যায়িত করছে।
এদিকে, বর্তমানে যেসব শ্রমিক দীর্ঘদিনধরে কাজ করে আসছিলো কিন্তু সম্প্রতি সময়ে ডিজিএম সালাউদ্দিন ও এডমিন অফিসার মোস্তাফিজুর তাদের কাজে যোগদান করতে না দেয়ায় তারা কাজ হারিয়ে মানবেতর জীবন-যাপন করছে। বর্তমানে স্থানীয় শ্রমিকদের বাদ দিয়ে বহিরাগত কতিথ শ্রমিকদের দিয়ে কার্যক্রম পরিচালনা করা হচ্ছে বলে জানা গেছে।
এ ব্যাপারে ভুক্তভোগী শ্রমিকরা উর্ধ্বত্বন কর্তপক্ষের নিকট-এর দ্রুত সমাধান চেয়েছেন। তারা বলেন, আমরা ফ্যাক্টারিতে কাজ করে সঠিক মজুরি নিয়ে পরিবার-পরিজন নিয়ে বাঁচতে চাই।
এ বিষয়ে ভুক্তভোগী শ্রমিক নেতা ওয়াহিদুল আলম খান (লিমন) বলেন, বিনা নোটিশে আমাকে বাদ দিয়ে নতুন একজনকে সর্দারের দায়িত্ব দেয়া হয়েছে। এছাড়া প্রতিষ্ঠানের কাছে আমার বহু টাকা পাওনা রয়েছে। যা পরিশোধ না করে অন্যায় ভাবে হঠাৎ একজনকে দায়িত্বে নিয়ে আসা হয়েছে। আমি যখন এই ফ্যাক্টারির শ্রমিকদের দায়িত্বে ছিলাম তখন মজুরি নিয়ে এ ধরনের সমস্যা হয়নি। কিন্তু আমাকে ফ্যাক্টারির শ্রমিকদের দায়িত্ব থেকে বাদ দিয়ে নতুন একজনকে দায়িত্ব প্রদান করার পর থেকেই ডিজিএম ও এডমিনের যোগসাজশে শ্রমিকরা তাদের নায্য মজুরি না পাওয়ায় শ্রমিকদের মাঝে অসন্তোস দেখা দিয়েছে। যে সকল শ্রমিকরা এতদিন ফ্যাক্টারিতে কাজ করতো তাদের ছাটাই ও মুজুরি কম দেয়ার কারনে এ সমস্যা দেখা দিয়েছে। যেহেতু আমি শ্রমিক নেতা তাই শ্রমিকদের অধিকার আদায়ের জন্য তাদের সাথে একাত্ততা প্রকাশ করছি। আমাদের দাবী বর্তমান ডিজিএম সালাউদ্দিন ও এডমিন মোস্তাফিজুরকে অপসারন করে শ্রমিকদের ন্যায্য অধিকার ও তাদের কাজ ফিরিয়ে দেয়া হোক।
এ ঘটনায় আমান ফিড ও সিমেন্ট ফ্যাক্টারির ডিজিএম সালাউদ্দিন বলেন, আমাদের ফ্যাক্টারির পক্ষ থেকে শ্রমিকরা যতটুকু সময় কাজ করে তার মুজুরি তাদের সর্দারের কাছে বুঝিয়ে দেওয়া হয়। এখানে যদি শ্রমিকদের সর্দার শ্রমিকদের মুজুরি ঠিকমতো না দেয় সে বিষয়ে ঊর্ধ্বত্বন কর্মকর্তাকে জানানো হবে। আর আমরা কোন শ্রমিক ছাটাই করিনি, তারা ইচ্ছে করেই কাজে যোগদান করছে না। তারা এসে কাজ করলে কেউ বাঁধা দিবে না।এ ব্যাপারে এডমিন অফিসার মোস্তাফিজুরকে জিজ্ঞাসা করা হলে তিনি বলেন, ডিজিএম স্যার যা বলেছেন আমারও একই বক্তব্য।
(এই প্রতিষ্ঠানের আরো অনিয়ম ও দুর্নীতির খবর আগামীতে প্রকাশ করা হবে)

সংবাদটি শেয়ার করুন

সর্বশেষ - সিরাজগঞ্জ নিউজ

আপনার জন্য নির্বাচিত

৩৯ হাজার টাকায় নতুন আইডিয়াপ্যাড

বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মদিন ও শিশু দিবস পালিত ।

রায়গঞ্জে প্রাণিসম্পদ সেবা সপ্তাহ ও প্রদর্শনী অনুষ্ঠিত

সিরাজগঞ্জে ফুটবল খেলার সময় বজ্রপাতে শিশুসহ ২ জনের মৃত্যু

বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্পোরেশন ১০ টি পদে মোট ৪২ জনকে নিয়োগ দেবে

রায়গঞ্জের জনগুরুত্বপূর্ণ সড়কটির বেহাল দশা জনস্বার্থে পাকা করা জরুরী ।

নওগাঁয় স্মার্ট ভূমি সেবা সপ্তাহ উদ্বোধন

রায়গঞ্জে ধুবিল ইউনিয়নে কর্মসৃজন প্রকল্পে শুভঙ্করের ফাঁকি

ডোমার উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে প্রার্থীদের প্রতীক বরাদ্দ 

সিরাজগঞ্জে স্বাস্থ্য সুরক্ষা ক্লাবের অ্যালামনাই অ্যাসোসিয়েশনের পূর্ণমিলনী অনুষ্ঠিত