২৫শে জুন, ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ, এখন সময় বিকাল ৩:২০ মিনিট
  1. অপরাধ
  2. অর্থ ও বাণিজ্য
  3. আড়াইহাজার
  4. আদালতপাড়া
  5. আন্তর্জাতিক
  6. আর্কাইভ
  7. ঈদ আড্ডা
  8. ঈদ আনন্দ
  9. কুষ্টিয়া
  10. কৃষি
  11. খুলনা
  12. খেলাধুলা
  13. চট্রগ্রাম
  14. চাকরি
  15. জনদূর্ভোগ
 

উল্লাপাড়া উপজেলা নির্বাচনে জনপ্রিয়তার শীর্ষে নবী নেওয়াজ খান বিনু

প্রতিবেদক
joysagortv
মে ১৯, ২০২৪ ৪:৩৩ পূর্বাহ্ণ

স্টাফ রিপোর্টার:
আগামী ২১ মে সিরাজগঞ্জের উল্লাপাড়া উপজেলা নির্বাচনকে ঘিরে শেষ মুহুর্তে জমে উঠেছে প্রচার প্রচারণা। নির্বাচনে চেয়ারম্যান ও ভাইস চেয়ারম্যান এবং মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান পদে প্রতিদ্বন্দ্বি প্রার্থীরা নির্বাচনী মাঠ চষে বেড়াচ্ছে। ভোটারদের মন জয় করতে হাট-বাজার, পাড়া-মহল্লাসহ সব জায়গায় প্রার্থীদের দৌড়ঝাপ এখন তুঙ্গে।এবার উল্লাপাড়া উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে জনপ্রিয়তার শীর্ষে রয়েছেন বিশিষ্ট সমাজসেবক, শিক্ষানুরাগী, রাজপথের পরিক্ষিত সাবেক ছাত্রনেতা ও সিনিয়র আওয়ামী লীগ নেতা নবী নেওয়াজ খান বিনু। ভোট যুদ্ধে একাধিক প্রার্থী মাঠে থাকলেও আলোচনায় শীর্ষে রয়েছেন বিনু। তিনি চলতি বছরের ২০২৪ সালের উপজেলা পরিষদ নির্বাচনকে কেন্দ্র করে নিজেকে জানান দিতে মাঠে থেকে বিভিন্ন কর্মসূচির মাধ্যমে প্রচারণা অব্যাহত রেখেছেন।
তিনি জনপ্রিয়তায় শীর্ষে থেকেও তার বিজয় নিশ্চিত করতে উপজেলা আওয়ামী লীগের সকল সহযোগী অঙ্গসংগঠন ও স্থানীয় ভোটারদের সাথে প্রতিদিনই শুভেচ্ছা বিনিময়, মতবিনিময় ও কর্মীসভায় দোয়া ও ভোট চেয়ে ব্যাপক প্রচার-প্রচারণা ও উঠান বৈঠক চালিয়ে যাচ্ছেন।
এবার আগের মত দলীয় প্রতীক কিংবা দলীয় মনোনয়ন নিয়ে উপজেলা নির্বাচন হচ্ছে না। বিরোধীদল এ নির্বাচনে অংশগ্রহণ না করলেও আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরাই এতে অংশগ্রহণ করে প্রতিদন্দ্বীতা করছেন। তফসিল ঘোষণার পর থেকেই উল্লাপাড়ায় কে হচ্ছেন উপজেলা চেয়ারম্যান, তা নিয়ে সর্বত্র চলছে আলোচনা। উপজেলার ইউনিয়নে, গ্রাম-মহাল্লায় বইছে নির্বাচনী হাওয়া। যোগ্য প্রার্থী বেছে নেওয়ার জন্য ভোটাররাও বেশ উৎসাহী। প্রার্থীরা শেষ মুহুর্তে বিভিন্ন এলাকায় শুভেচ্ছা বিনিময় করে ভোট প্রার্থনা করছেন।
এদিকে উল্লাপাড়া উপজেলা আওয়ামী লীগের হাইকমান্ডের প্রত্যক্ষ সমর্থন ও সহযোগিতা পাওয়ায় চেয়ারম্যান প্রার্থী নবী নেওয়াজ খান বিনু সুবিধাজনক অবস্থানে রয়েছে। স্থানীয় আওয়ামী লীগের বিভিন্ন নেতাকর্মী অপরাপর বিভিন্ন প্রার্থীর পক্ষে কাজ করলেও আওয়ামী লীগের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ নেতাকর্মীদের সন্ময়ে দলের বিরাট একটি অংশ হেলিকপ্টার প্রতীক বিজয়ী করতে ভোটের মাঠ চষে বেড়াচ্ছেন। এর কারণ হিসেবে অনেকেই বলছেন যে, আর্থিক ভাবে স্বচ্ছল সৎ এবং ক্লিন ইমেজের প্রার্থী হওয়ায় যোগ্যতার বিচারে দলমত নির্বিশেষে অনেকের কাছে নবী নেওয়াজ খান বিনু প্রিয় মুখ। উল্লাপাড়া উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি সহ সকল গুরুত্বপূর্ণ নেতৃবৃন্দ এবং সফল পৌর মেয়র নজরুল ইসলাম হেলিকপ্টার প্রতিকের প্রার্থী নবী নেওয়াজ খান বিনুকে জয়ী করতে প্রকাশ্যে মাঠে নেমেছেন। তারা সকলেই উল্লাপাড়াকে একটি আধুনিক স্মার্ট উপজেলা এবং মডেল শহর হিসেবে গড়ে তুলতে চান। এ ক্ষেত্রে তাদের অনেকেই উপজেলার উন্নয়নের স্বার্থে নবী নেওয়াজ খান বিনুর পক্ষে কাজ করছেন। তাদের মতে, উল্লাপাড়াকে স্মার্ট উপজেলা হিসেবে গড়ে তুলতে হলে নবী নেওয়াজ খান বিনুর মত একজন সৎ ও যোগ্য লোকের কোন বিকল্প নেই। নিজেদের মধ্যে প্রতিপক্ষ থাকলেও সরকারী দলের বিরাট একটি অংশ বিনুর পক্ষে প্রকাশ্যে অবস্থান নিয়ে তাকে বিজয়ী করতে মাঠে কাজ করে যাচ্ছেন।
প্রতিবেদনকালে অত্র উপজেলা ঘুরে দেখা যায়, বর্তমানে উল্লাপাড়া উপজেলার প্রতিটি ভোটারদের মুখে মুখে আলোচনায় শীর্ষে রয়েছেন নবী নেওয়াজ খান বিনু। মাদক, সন্ত্রাস ও দুর্নীতির বিরুদ্ধে প্রতিবাদী কণ্ঠস্বর নবী নেওয়াজ খান বিনু অন্যান্য সব প্রার্থীদের চেয়ে মাঠ পর্যায়ে জনপ্রিয়তায় শীর্ষে রয়েছেন।বিশিষ্টজনদের অভিমত, এবার উল্লাপাড়া উপজেলার তৃণমুল জনপদে অভাবনীয় উন্নয়নের এক নবদিগন্তের সুচনা হতে পারে। কারণ হিসেবে হেলিকপ্টার প্রতিকের চেয়ারম্যান প্রার্থী নবী নেওয়াজ খান বিনু স্থানীয় এমপি মহোদয়ের আস্থাভাজন ব্যক্তি। স্থানীয় এমপি বীর মুক্তিযোদ্ধা গাজী শফিকুল ইসলাম শফি গুরুত্বপূর্ণ একটি মন্ত্রণালয়ের সংসদীয় স্থায়ী কমিটির চেয়ারম্যান হওয়ায় এমন অভাবনীয় উন্নয়নের সম্ভাবনার সুযোগ এসেছে। এ সুযোগ উল্লাপাড়াবাসী কাজে লাগাতে পারলেই উল্লেখিত উন্নয়ন সম্ভব। যার মোক্ষম সময় হলো ২১ মে উল্লাপাড়া উপজেলা পরিষদের নির্বাচনের দিন।এলাকার অনেক সচেতন মহল বলেন, স্থানীয় এমপির পছন্দের কিংবা তার আর্শিবাদপুষ্ট যোগ্য জনপ্রতিনিধি ছাড়া এলাকার উন্নয়ন সম্ভব নয়। সে ক্ষেত্রে চেয়ারম্যান প্রার্থী বিনু নির্বাচিত হলে তবেই এলাকার উন্নয়ন সম্ভব হবে বলে আশা করা যায়।
বর্তমানে বাস্তবতায় ভোটে নির্বাচিত জনপ্রতিনিধি হয়ে উন্নয়ন না করে অর্থ আত্মসাৎ ও নিজের উন্নয়নের প্রবণতাই বেশী দেখা যায়। সে ক্ষেত্রে একজন ব্যতিক্রম মানুষ নবী নেওয়াজ খান বিনু। তিনি নিজে কষ্টার্জিত ব্যবসা করে রাজনীতি ও জনগণের পিছনে খরচ করে আসছেন। দীর্ঘদিন যাবত তিনি অত্র এলাকার মানুষের পাশে থেকে নানা ভাবে সেবা করে যাচ্ছেন। শত শত নেতাকর্মীদের আপদে-বিপদে আর্থিক সহযোগিতাসহ পাশে দাঁড়িয়েছেন।
তৃণমূল নেতাকর্মীরা বলেন, নবী নেওয়াজ খান বিনু একজন ভদ্র বিনয়ী সৎ ও আর্থিক সচ্ছল মানুষ। তিনি উল্লাপাড়া উপজেলার চেয়ারম্যান নির্বাচিত হলে জনগণের অনেক উপকার হবে। তাকে দিয়ে স্থানীয় এমপি এলাকার তৃণমূল পর্যায়ে উন্নয়নের সকল কাজ ভালভাবে করিয়ে নিতে পারবেন বলে আশা করা যায়।এ প্রসঙ্গে স্থানীয় কয়েকজন জনপ্রতিনিধি বলেন, নবী নেওয়াজ খান বিনু সফল ব্যবসায়ী, তার আর্থিক স্বচ্ছলতা নিয়ে কারো কোন প্রশ্ন নেই। তাই আমরা এবার এলাকার উন্নয়নে এমন সুযোগ হাতছাড়া করতে চাই না। বিনু ভাই বিপুল ভোটে বিজয়ী হবে বলে আমরা আশা করি।
উপজেলার এক ইউপি চেয়ারম্যান বলেন, জনপ্রতিনিধির পদকে নিজের জীবন-জিবিকার ধান্দার জন্য ব্যবহার না করে জনগণের উন্নয়নের কাজে লাগাতে পারেন, তিনি হলেন একমাত্র উপজেলা চেয়ারম্যান প্রার্থী নবী নেওয়াজ খান বিনু। স্থানীয় সংসদ সদস্য বীরমুক্তিযোদ্ধা শফিকুল ইসলাম শফি ও নবী নেওয়াজ খান বিনু এই জুটি মিলে আগামীতে উল্লাপাড়াতে ব্যাপক উন্নয়ন কর্মকা- করা সম্ভব। আমরা আমাদের এলাকার উন্নয়নের স্বার্থেই মাননীয় এমপি মহোদয়ের স্বপ্ন আধুনিক স্মার্ট মডেল উপজেলা গড়তে বিনু ভাইকে ভোট দিয়ে উপজেলা চেয়ারম্যান নির্বাচিত করবো ইনশাল্লাহ।উল্লাপাড়ার বিপুল সংখ্যক জনগণ ও রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ মনে করেন, আগামী ২১ মে আলহাজ¦ নবী নেওয়াজ খান বিনুকে হেলিকপ্টার মার্কায় ভোট দিয়ে বিপুল ভোটে বিজয়ী করে শফি-বিনু জুটিকে কাজে লাগিয়ে ব্যাপক উন্নয়ন কর্মকা-ের মাধ্যমে উল্লাপাড়াকে দেশের মধ্যে একটি আধুনিক স্মার্ট উপজেলা হিসাবে গড়ে তোলা সম্ভব।এদিকে, স্থানীয় অনেক রাজনৈতিক বিশ্লেষক মনে করেন উল্লাপাড়া উপজেলায় বিরোধী দলীয় জোটের একটি বিশাল ভোট ব্যাংক রয়েছে। আনুষ্ঠানিক ভাবে এরা নির্বাচনে অংশগ্রহণ না করলেও এদের অনেকেই ভোট দেবেন। এদের ভোট যেদিকে গড়াবে তিনি উপজেলার চেয়ারম্যান নির্বাচিত হতে একধাপ এগিয়ে থাকবেন। সে ক্ষেত্রে বিরোধী দলের অনেক নেতাকর্মী ও সমর্থক বিনুকেই পছন্দ করেন বলে নির্ভরযোগ্য সূত্রে জানা গেছে। তারা নবী নেওয়াজ খান বিনুর মত একজন ভদ্র ক্লিন ইমেজের মানুষকে বিজয়ী করতে তাদের বিশাল ভোট ব্যাংক কাজে লাগাতে পারেন বলে একাধিক সূত্রে জানা গেছে।
দায়িত্বশীল সূত্রে জানা গেছে, উল্লাপাড়া উপজেলার সবকয়টি ইউনিয়নে এলাকাবাসীর কাছে ক্লিন ইমেজের মানুষ হিসেবে দলমত নির্বিশেষে নেতা হিসেবে ব্যাপক পরিচিত মুখ এখন আওয়ামী লীগ নেতা চেয়ারম্যান প্রার্থী নবী নেওয়াজ খান বিনু। বিগত দিনে নবী নেওয়াজ খান বিনু গ্রাম মহাল্লার মানুষের পাশে দাঁড়িয়েছেন। খাদ্যসামগ্রী বিতরণ, নগদ অর্থ সহায়তাসহ নানাবিধ কার্যক্রম চালিয়ে গেছেন।
উপজেলার প্রতিটি ওয়ার্ডে, সাধারণ অসহায় খেটে খাওয়া হত-দরিদ্র মানুষের সুখে-দুঃখে নিজস্ব অর্থায়নে সর্বক্ষেত্রে সহযোগিতা করে গেছেন।
এছাড়া স্থানীয় মসজিদ, মাদ্রাসা, মন্দির, ক্লাবসহ বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে আর্থিক সহযোগিতা প্রদানসহ বিভিন্ন সামাজিক ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে নিয়মিত যোগদান করেন।নবী নেওয়াজ খান বিনু উপজেলায় জনপ্রিয় হওয়ার আরও একটি কারণ হলো, তিনি আওয়ামী লীগ পরিবারের সন্তান। তার রয়েছে ব্যাপক জনসেবার পরিচিতি। তিনি একাধিক সামাজিক সেবামূলক কার্যক্রমে জড়িত। তিনি উপজেলার সব ইউনিয়নে সবার সঙ্গে সু-সম্পর্ক বজায় রেখে সর্বপ্রকার সেবামূলক কর্মকা- চালিয়েছেন এবং চালিয়ে যাচ্ছেন।বিশেষ করে তিনি মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ঘোষিত ২০৪১ সালের মধ্যে একটি উন্নত সমৃদ্ধ স্মার্ট বাংলাদেশ গড়তে জনগণের ভোটে উল্লাপাড়া উপজেলা চেয়ারম্যান নির্বাচিত হলে উপজেলার সকল ইউনিয়নে জনগণের আর্থ সামাজিক উন্নয়ন ও এলাকার রাস্তাঘাট, ব্রীজ কালভার্ট, মসজিদ, মাদ্রাসা, মন্দিরসহ সকল ধরণের উন্নয়নমূলক কাজ করবেন বলে প্রতিশ্রুতি ব্যক্ত করেন।উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় মতবিনিময় সভায় তিনি বলেন, উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে আমি একজন চেয়ারম্যান প্রার্থী। আপনাদের স্নেহ, ভালোবাসা, দোয়া, মূল্যবান ভোট ও সার্বিক সহযোগিতা দিয়ে আমাকে উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান পদে নির্বাচিত করবেন বলে আমি বিশ^াস করি। আমি উল্লাপাড়া উপজেলাকে একটি সন্ত্রাস, মাদক, ইভটিজিং মুক্ত ও আধুনিক, উন্নত এবং স্মার্ট উপজেলা হিসেবে গড়ে তুলবো ইনশাআল্লাহ।আলহাজ¦ নবী নেওয়াজ খান বিনু আরো বলেন, বাংলাদেশের স্থপতি, জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের সুযোগ্য কন্যা, গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের সফল প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার হাত ধরে দেশ এগিয়ে যাচ্ছে। দেশরতœ শেখ হাসিনার দিক নির্দেশনা মেনে স্থানীয় এমপির সহযোতিায় উপজেলার সাধারণ মানুষের পাশে থেকে আওয়ামী লীগ সরকারের সকল সেবামূলক কাজে অংশগ্রহণ করে যাচ্ছি। জননেত্রী শেখ হাসিনার হাতকে শক্তিশালী করার লক্ষ্যে স্থানীয় এমপি বীর মুক্তিযোদ্ধা শফিকুল ইসলাম শফি মহোদয়ের পরামর্শক্রমে দলীয় সংগঠনকে শক্তিশালী করার লক্ষ্যে কাজ করে যাব।
আমার বিশ্বাস আসন্ন নির্বাচনে জনগণ ব্যালট বিপ্লবের মাধ্যমে আমাকে চেয়ারম্যান নির্বাচিত করবেন ইনশাল্লাহ। আর আমি নির্বাচিত হলে বঙ্গবন্ধুর সোনার বাংলা গড়তে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার অঙ্গীকার গ্রামকে শহরে রূপান্তরিত করবো এবং স্মাট উল্লাপাড়া বাস্তবায়ন সহ সকল প্রকার উন্নয়ন প্রচেষ্টা বাস্তবায়নে কাজ করবো। প্রতিটি গ্রামে উন্নয়নের ছোয়া পৌঁছে দিয়ে দুঃখ, দুর্দশা, ক্ষুধা ও দারিদ্রমুক্ত উল্লাপাড়া গঠনে ভূমিকা রাখার চেষ্টা করবো।
আমি জননেত্রী শেখ হাসিনার স্মার্ট বাংলাদেশ গঠনে ব্যাপক ভূমিকা রাখার চেষ্টা করব। প্রযুক্তি নির্ভর ও আধুনিক শিক্ষা বিস্তারে প্রত্যক্ষ ভূমিকা রাখতে চাই। উপজেলার অবকাঠামো ও রাস্তা-ঘাট সহ সকল উন্নয়নে যথাসাধ্য ভূমিকা রাখতে চাই।
অতীত ও বর্তমানে যেভাবে সকলের বিপদে সহযোগিতার হাত বাড়িয়েছি ঠিক তেমনি ভাবে মানুষের পাশে থাকবো। সাধারণ মানুষের সম্ভাবনাময় স্বপ্নকে বাস্তবে রূপ দেয়ার চেষ্টা করবো। এছাড়া আমার মূল লক্ষ্যই হচ্ছে জনগণের ঘরে ঘরে নাগরিক সেবা পৌঁছে দেওয়া। স্মার্ট বাংলাদেশে স্মার্ট হবে উল্লাপাড়া।
আলহাজ্ব নবী নেওয়াজ খান বিনু দলমতের উর্ধ্বে থেকে সকলের সহযোগিতা ও ভালোবাসা নিয়ে উপজেলার নাগরিকদের নিরাপত্তাসহ মাদক ও সন্ত্রাসমুক্ত একটি স্মার্ট উপজেলা হিসেবে গড়ে তোলার প্রত্যায় ব্যক্ত করেন। এজন্য তিনি সর্বস্তরের নেতাকর্মীদের পাশাপাশি উপজেলাবাসীর ভোট, দোয়া ও সহযোগিতা কামনা করেন।
উল্লেখ্য: আলহাজ্ব নবী নেওয়াজ খান বিনু’র পিতা মোঃ মকবুল হোসেন খান (সাবেক চেয়ারম্যান, সলপ ইউপি), গ্রামঃ নওকৈড়, পোষ্টঃ ডিগ্রীরচড়, উপজেলাঃ উল্লাপাড়া, জেলাঃ সিরাজগঞ্জ।
আলহাজ্ব নবী নেওয়াজ খান বিনু বঙ্গবন্ধুর আদর্শে অনুপ্রাণিত হয়ে ১৯৭৮ সাল থেকে সিরাজগঞ্জ মহকুমা ছাত্রলীগ পরবর্তীতে জেলা ছাত্রলীগ ও জেলা যুবলীগ হয়ে বর্তমানে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের রাজনীতির একজন একনিষ্ঠ কর্মী হিসাবে কাজ করে যাচ্ছেন। তিনি ছাত্র জীবনে সকল আন্দোলন সংগ্রামে ভূমিকা রাখেন। স্বৈরাচারী কর্মকা-ের বিরুদ্ধে সকল আন্দোলনে সক্রিয় ভূমিকা রাখেন। প্রায় ৪৫ বছর রাজনীতির সাথে সম্পৃক্ত এবং দলীয় সাংগঠনিক শক্তি বৃদ্ধির জন্য পরিশ্রম ও প্রয়োজনীয় অর্থ ব্যয় করেছেন।তিনি ছাত্রজীবন থেকে আওয়ামী রাজনীতির সাথে যুক্ত। ১৯৮০ সালে সিরাজগঞ্জ মহকুমা’য় বাংলাদেশ ছাত্রলীগের নির্বাহী সদস্য ছিলেন। তিনি ১৯৮১ সালে সিরাজগঞ্জ সরকারি কলেজে ছাত্রলীগের রাজনীতি করে কলেজ ছাত্র সংসদে ক্রীড়া সম্পাদকের
দায়িত্ব পালন করেন। ১৯৮৫ থেকে ১৯৯০ সাল পর্যন্ত বাংলাদেশ ছাত্রলীগ সিরাজগঞ্জ জেলা শাখার সহ-সভাপতির দায়িত্ব পালন করেন। ১৯৮৮ সালে ঢাকা জগন্নাথ কলেজে কলেজ শাখা ছাত্রলীগের সদস্য ছিলেন। ১৯৯২ সালে ঢাকা মহানগর যুবলীগ মোহাম্মদপুর থানা শাখার সদস্য ছিলেন।তিনি ২০০৭ সালের ওয়ান ইলেভেন ফখরুদ্দিন সরকারের সময়ে জননেত্রী শেখ হাসিনা যখন কারা অন্তরিন ছিলেন, তখন রাজপথে নেত্রীর মুক্তির আন্দোলনে সক্রিয় ছিলেন। ২০০৮ সালের জাতীয় সংসদ নির্বাচন পরিচালনা উপ-কমিটির সদস্য ছিলেন। আওয়ামীলীগ মনোনীত প্রার্থীর পক্ষে নির্বাচনী প্রচার প্রচারণায় যুক্ত থেকে গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করেন।
২০০৯ সালে বাংলাদেশ কৃষকলীগ উল্লাপাড়া উপজেলা শাখার যুগ্ম আহ্বায়কের দায়িত্ব পালন করেন। ২০১২ সালে উল্লাপাড়া উপজেলা আওয়ামী লীগের আহ্বায়ক সদস্য’র দায়িত্ব পালন করেন।
২০১৪ সালের জাতীয় সংসদ নির্বাচন পরিচালনায় উপ-কমিটির সদস্য ছিলেন। বিজয় লাভের পর বিএনপি-জামাতের আগুন সন্ত্রাস সহ অন্যান্য সকল অবৈধ কর্মকা- প্রতিহত করতে রাজপথে আন্দোলনে সক্রিয় ভূমিকা পালন করেন।
২০১৮ সালের জাতীয় সংসদ নির্বাচনে উপ-কমিটির সদস্য থেকে সক্রিয়ভাবে দায়িত্ব পালন করায় আওয়ামী লীগ বিজয় লাভ করে।২০২৪ সালের জাতীয় সংসদ নির্বাচনেও উপ-কমিটির সদস্য থেকে সক্রিয়ভাবে দায়িত্ব পালন করেন। এ নির্বাচনে আওয়ামী লীগের নৌকা প্রতিক প্রার্থী বীরমুক্তিযোদ্ধা আলহাজ¦ শফিকুল ইসলাম শফি বিপুল ভোটে বিজয় লাভ করেন।

সংবাদটি শেয়ার করুন

সর্বশেষ - সিরাজগঞ্জ নিউজ

আপনার জন্য নির্বাচিত

অমর একুশে বইমেলা শুরু কাল

চট্টগ্রাম কক্সবাজার বিশেষ ট্রেন বন্ধ ঘোষণা করল রেলওয়ে কর্তৃপক্ষ

সিরাজগঞ্জ পৌর যুবলীগের আহবায়ক পদপ্রার্থী হলেন মো. হানিফ শেখ  

ইউটিউব এর সাহায্যে স্বপ্ন বাস্তবায়ন ?

নড়াইলের নড়াগাতি থানায় মামলা রুজুর দ্রুততম সময়ের মধ্যে আসামি গ্রেফতার

ডিজিটাল কন্টেইনে ক্লাস বাস্তবায়ন করতে সহকারি শিক্ষা অফিসার দিলরুবার স্কুল পরিদর্শন

সিরাজগঞ্জে বৃষ্টির জন্য ইস্তেসকার নামায আদায়

ফরিদপুরে মোটর ওয়ার্কার্স শ্রমিক ইউনিয়নের নির্বাচন স্থগিত নিয়ে দুই সাংসদের বিরুদ্ধে অভিযোগ

বাংলাদেশ প্রেস ক্লাব, পূর্বধলা শাখা আয়োজিত আলোচনা সভা, দোয়া ও ইফতার

রায়গঞ্জ উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে বিজয়ী হলেন যাঁরা