তাড়াশ (সিরাজগঞ্জ) প্রতিনিধিঃ
সিরাজগঞ্জের তাড়াশে বিবাদমান লীজকৃত পুকুর থেকে রাতে জোড়পূর্বক মাছ ধরে নিয়ে গেছে প্রতিপক্ষ সোহাগ গংয়ের লোকজন। ঘটনাটি ঘটেছে গত বৃহস্পতিবার গভীর রাতে উপজেলার তালম ইউনিয়নের তালম পন্ডুরাপাড়ায়। আর এ ঘটনায় শুক্রবার বিকেলে ভুক্তভোগী মাসুদ রানা প্রতিপক্ষ সোহাগ গংয়ের ১০ জনকে আসামী করে তাড়াশ থানায় একটি অভিযোগ দায়ের করেছেন। এতে লীজকৃত পুকুরের মাছ ধরে প্রায় ৪ লক্ষ টাকার ক্ষতি সাধন করেছে বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে।
অভিযোগ সূত্রে জানা গেছে, উপজেলার তালম ইউনিয়নের গোন্তা গ্রামের আবুল বাশারের ছেলে মাসুদ রানা তালম পান্ডুরা মৌজায় ৮৭ শতাংশের একটি পুকুর ওই পাড়ার মফিজ উদ্দিনের ছেলে ইলিয়াস হোসেন জিন্নাহ’র নিকট থেকে এক বছরের জন্য লীজ নিয়ে মাছ চাষ করে আসছিলেন। এ দিকে সোহাগ গংয়ের লোকজন পুকুরের মূল মালিক মফিজ উদ্দিনের নিকট থেকে লীজ নেয় বলে দাবী করেন। এরই প্রেক্ষিতে গত বৃহস্পতিবার রাত আনুমানিক আড়াই ঘটিকার সময় প্রতিপক্ষ সোহাগ গংয়ের লোকজন তালম পদ্মপাড়ার আজমল হোসেন, রুহুল আমিন, মোঃ শামছু, তালম আদারপাড়ার বিদ্যুৎ সরকার, আমিরুল ইসলাম, তালম মেলা পাড়ার রাব্বানী, তালম পান্ডুরা পাড়ার মাহফুজ আলম, মফিজ উদ্দিনের স্ত্রী বেদেনা খাতুন ও মার্জিয়া খাতুনসহ সংঘবদ্ধ একটি দল ওই পুকুরে আমার ছেড়ে দেয়া মাছ জাল ফেলে ধরতে থাকে। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে গিয়ে মাসুদ রানা মাছ ধরতে নিষেধ ও বাধা দিলে তারা বাধা না মেনে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ ও ভয়ভীতি প্রদর্শন করেন। এ সময় তারা পুকুর থেকে প্রায় ২০ মন বিভিন্ন প্রজাতির মাছ ধরে নিয়ে যায়। যার বাজার মূল্য আনুমানিক ৪ লাখ টাকা।
এ ব্যাপারে অভিযুক্ত সোহাগ বলেন, আমরা ওই পুকুরের মূল মালিক মফিজ উদ্দিনের নিকট থেকে লীজ নিয়ে মাছ চাষ করে আসছি।
এ প্রসঙ্গে তাড়াশ ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা হাবিবুর রহমান বলেন, অভিযোগের বিষয়টি তদন্তপূর্বক প্রয়োজনীয় আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে।



















