১০ই ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, এখন সময় বিকাল ৩:১৯ মিনিট
  1. অর্থ ও বাণিজ্য
  2. আন্তর্জাতিক
  3. খুলনা
  4. খেলা
  5. চাকরি
  6. জাতীয়
  7. ধর্ম
  8. নির্বাচন
  9. বিনোদন
  10. রাজনীতি
  11. শিক্ষাজ্ঞন
  12. শিল্প ও সাহিত্য
  13. সারাদেশ

জাতির উদ্দেশে ভাষণে তারেক রহমান : রাষ্ট্রক্ষমতায় এলে বিএনপির মূলমন্ত্র থাকবে মহানবী (সা.)-এর আদর্শ ন্যায়পরায়ণতা

প্রতিবেদক
joysagor
ফেব্রুয়ারি ১০, ২০২৬ ১:৪৮ অপরাহ্ণ

জয়সাগর নিউজ ডেস্ক:
দেশের গণতন্ত্রকামী ভোটারদের আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি ধানের শীষের প্রার্থীদের দায়িত্ব নেয়ার আহ্বান জানিয়ে বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান বলেছেন, ১৩ তারিখ থেকে নির্বাচিত এমপিরা আপনাদের দায়িত্ব নেবে। নির্বাচিত প্রতিনিধিরা আপনাদের দায়িত্ব ঠিকমতো পালন করছে কি-না, সেটি নিশ্চিত করার দায়িত্ব আমি নেব ইনশাআল্লাহ। ১৩ ফেব্রুয়ারি যদি আপনাদের সমর্থন পাই তাহলে রাষ্ট্র পরিচালনায় বিএনপির মূলমন্ত্র থাকবে মহানবী (সা.) মহান আদর্শ ‘ন্যায়পরায়ণতা। তাই ১২ ফেব্রুয়ারি সারাদিন ধানের শীষে ভোট দিন। ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন উপলক্ষে গতকাল সোমবার সন্ধ্যায় বাংলাদেশ টেলিভিশনে জাতির উদ্দেশে দেয়া ভাষণে তিনি এসব কথা বলেন। ভাষণে তারেক রহমান বলেন, বাংলাদেশের ৯০ ভাগের বেশি মানুষ মুসলমান। মহান আল্লাহর দরবারে আমাদের সবার একটিই প্রার্থনা, রাব্বানা আতিনা ফিদ্দুনিয়া হাসানাতাও ওয়াফিল আখিরাতি হাসানাতাও ওয়াকিনা আজবান নার। ‘হে আল্লাহ আমাদের দুনিয়াতে কল্যাণ দাও, আখেরাতে কল্যাণ দাও, আমাদের দোজখের আগুন থেকে বাঁচাও। শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়ার রহমান সংবিধানে সর্বশক্তিমান আল্লাহর ওপরে পূর্ণ আস্থা
ও বিশ্বাস এ কথাটি সন্নিবেশিত করেছিলেন। কিন্তু তাবেদার সরকার সংবিধান থেকে এই কথাটি বাদ দিয়েছিল। আল্লাহর রহমতে আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি নির্বাচনে জনগণের রায় বিএনপি পুনরায় রাষ্ট্র পরিচালনার দায়িত্ব পেলে সর্বশক্তিমান আল্লাহর ওপর পূর্ণ আস্থা ও বিশ্বাস। এই কথাটি সংবিধানে পুনরায় সন্নিবেশিত করা হবে ইনশাআল্লাহ।

তারেক রহমান তার ভাষণে বলেন, গণতান্ত্রিক উত্তরণের এক ঐতিহাসিক সন্ধিক্ষণে উপনীত বাংলাদেশ। সংবিধানে আছে— প্রজাতন্ত্রের সকল ক্ষমতার মালিক জনগণ। কিন্তু পতিত, পরাজিত, বিতাড়িত ফ্যাসিস্ট চক্র জনগণের কাছ থেকে রাষ্ট্রের মালিকানা কেড়ে নিয়েছিল। অবশেষে দীর্ঘ আন্দোলন-সংগ্রামের ধারাবাহিকতায় হাজারো প্রাণের বিনিময়ে জনগণের কাছে রাষ্ট্রের মালিকানা ফিরিয়ে দেয়ার এক মাহেন্দ্রক্ষণ আমাদের সামনে উপস্থিত। আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে গণতন্ত্রকামী জনগণের বহুল আকাক্সিক্ষত জাতীয় নির্বাচন।
তিনি বলেন, রাষ্ট্র রাজনীতি এবং সরকারে জনগণের অধিকার প্রতিষ্ঠার এই শুভ সময়ে মহান আল্লাহর দরবারে শুকরিয়া আদায় করে— আমি আপনাদের সামনে কয়েকটি কথা বলতে চাই। গণতন্ত্রকামী জনগণের সামনে এমন একটি শুভ সময় হঠাৎ করেই আসেনি। এর জন্য বিএনপিসহ গণতন্ত্রের পক্ষের সব রাজনৈতিক দল এবং গণতান্ত্রিক জনগণকে দীর্ঘ দেড় দশকেরও বেশি সময় ধরে আন্দোলন-সংগ্রাম করতে হয়েছে। ফ্যাসিবাদবিরোধী এই ধারাবাহিক আন্দোলনে হাজার হাজার মানুষকে গুম-খুন অপহরণ করা হয়েছিল। আয়নাঘর নামক এক বর্বর বন্দিখানা যেন হয়ে উঠেছিল জ্যান্ত মানুষের কবরস্থান। শুধু ২০২৪ সালে ছাত্র-জনতার ঐতিহাসিক গণঅভ্যুত্থানে ১৪ শতাধিক মানুষকে হত্যা করা হয়েছে। আহত হয়েছেন কমপক্ষে তিন হাজার মানুষ। তিনি বাংলাদেশের জন্মযুদ্ধ থেকে অদ্যাবধি সব গণতন্ত্র ও অধিকার প্রতিষ্ঠার জন্য যারা শহীদ হয়েছেন তাদের রূহের মাগফিরাত কামনা করেন।

বিএনপি চেয়ারম্যান বলেন, ১৯৭১ সালের স্বাধীনতা অর্জনের যুদ্ধ, ১৯৭৫ সালের ৭ নভেম্বরের আধিপত্যবাদ ও তাঁবেদার অপশক্তি-বিরোধী বাংলাদেশ নব্বইয়ের স্বৈরাচারবিরোধী আন্দোলন শাপলা চত্বরে গণহত্যা কিংবা সর্বশেষ ২০২৪ সালের স্বাধীনতা রক্ষার যুদ্ধ, ইতিহাসের এমন প্রতিটি বাঁকে হাজারো লক্ষ মানুষ অকাতরে জীবন দিয়েছেন। একটি প্রাণের সমাপ্তির মধ্যে দিয়ে একটি পরিবারের স্বপ্ন ও সম্ভাবনা আশা-আকাক্সক্ষারও মৃত্যু ঘটে। এই মানুষগুলো কেন এমন অকাতরে জীবন দিয়েছিলেন? কী ছিল তাদের চাওয়া? কোনো কিছু দিয়েই মৃত্যুর প্রতিদান হয় না। তাহলে কি এত প্রাণের বিসর্জন বৃথা হয়ে যাবে? না। অবশ্যই বৃথা যেতে দিতে পারি না। আমরা যারা এখনো আল্লাহর রহমতে বেঁচে আছি, আমাদের উচিত শহীদদের কাক্সিক্ষত বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠা করা। একটি ন্যায়ভিত্তিক মানবিক নিরাপদ গণতান্ত্রিক বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে আমরা দেশ এবং জনগণের জন্য উৎসর্গকৃত সব প্রাণের প্রতিদান দেয়ার চেষ্টা করতে পারি।

তিনি বলেন, দেশের প্রায় ২০ কোটি জনসংখ্যার অর্ধেকের বেশি নারী, চার কোটির বেশি তারুণ্য, পাঁচ কোটির বেশি শিশু, ৪০ লাখের বেশি প্রতিবন্ধী মানুষ, কোটি কোটি শ্রমিক, কৃষক। এই সব শ্রেণি-পেশার মানুষের আকাক্সক্ষা বাস্তবায়ন করতে ব্যর্থ হলে শেষ পর্যন্ত খোদ রাষ্ট্রযন্ত্রই দুর্বল হয়ে পড়বে। নাগরিকদের দুর্বল রেখে রাষ্ট্র কখনোই শক্তিশালী হয়ে উঠতে পারে না। জনগণের রাজনৈতিক এবং অর্থনৈতিক ক্ষমতা নিশ্চিত করা না গেলে দেশের ডেমোক্রেসি, ডেভেলপমেন্ট কিংবা ডিসেন্ট্রালাইজেশন কোনো কিছুই টেকসই হবে না। আমি মনে করি, জনগণের রাজনৈতিক ক্ষমতায়নের পূর্বশর্ত নাগরিকদের সরাসরি ভোটের অধিকার প্রয়োগের মাধ্যমে স্থানীয় পরিষদের মেম্বার থেকে শুরু করে জাতীয় সংসদ সদস্য পর্যন্ত প্রতিনিধি নির্বাচনের ক্ষমতা অর্জন প্রতিটি নাগরিকের হারানো রাজনৈতিক ক্ষমতা পুনরুদ্ধারের জন্য আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি নির্বাচন একটি বড় সুযোগ। এই উপলব্ধি এবং বাস্তবতাকে সামনে রেখে দেশের নাগরিকদের রাজনৈতিক এবং অর্থনৈতিক ক্ষমতা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে ইতোমধ্যেই বিএনপির নির্বাচনী ইশতেহার ঘোষণা করা হয়েছে। প্রতিটি সেক্টর এবং প্রতিটি শ্রেণি-পেশার মানুষকে লক্ষ্য করে একটি স্বনির্ভর বাংলাদেশ বিনির্মাণের জন্য আমরা আমাদের পরিকল্পনা সাজিয়েছি। বর্তমান প্রজন্মের সামাজিক-অর্থনৈতিক-রাজনৈতিক অধিকার পুনর্বহাল এবং ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য একটি নিরাপদ, মানবিক বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠার লক্ষ্য নিয়েই চূড়ান্ত করা হয়েছে বিএনপির সব পরিকল্পনা। বিশেষ করে দেশের সব তরুণ-তরুণী, বেকার জনগোষ্ঠী, নারীদের জন্য দেশে-বিদেশে কর্মসংস্থান ও কর্মপরিবেশ নিশ্চিত করাই এবার বিএনপির প্রথম এবং প্রধান অগ্রাধিকার।

ইশতেহারের বিষয়গুলো তুলে ধরে তারেক রহমান বলেন, বেকার সমস্যা নিরশনের লক্ষ্যে ব্যাংক-বীমা-পুঁজিবাজারসহ দেশের অর্থনৈতিক খাতের সার্বিক সংস্কার অঞ্চলভিত্তিক অর্থনীতিকে চাঙ্গা করা এবং শিল্প ও বাণিজ্যে দেশি-বিদেশি বিনিয়োগ বৃদ্ধির মাধ্যমে দেশে-বিদেশে এক কোটি কর্মসংস্থান তৈরির লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। এভাবে পর্যায়ক্রমে এক কোটি কর্মসংস্থান তৈরির লক্ষ্যমাত্রা অর্জনের জন্য কয়েকটি সেক্টরকে বিশেষভাবে চিহ্নিত করে নতুন কর্মসংস্থান তৈরির উপায় এবং কর্মকৌশল নির্ধারণ করা হয়েছে। এরই অংশ হিসেবে দেশব্যাপী কারিগরি এবং ব্যবহারিক শিক্ষা প্রদানের মাধ্যমে বেকার জনগোষ্ঠীকে দক্ষ জনশক্তিতে রূপান্তরিত করা হবে। কলেজ, মাদরাসা, বিশ্ববিদ্যালয় বিনামূল্যে স্কিলস ডেভেলপমেন্ট, ফ্রিল্যান্সিং এবং আউটসোর্সিং প্রশিক্ষণ প্রদান করা হবে। যাতে করে বেকার যুবক কিংবা তরুণ-তরুণীরা দেশে-বিদেশে উচ্চ বেতনে চাকরির জন্য প্রস্তুত হয়ে সরাসরি কর্মক্ষেত্রে কর্মসংস্থানে যুক্ত হতে পারেন। প্রতিটি অঞ্চলভিত্তিক স্থানীয়ভাবে বিখ্যাত এবং ঐতিহ্যবাহী পণ্যের উৎপাদন এবং বাজারজাতকরণের জন্য বিশেষ উদ্যোগ নেয়ার প্রস্তুতি রয়েছে। স্থানীয় কুটিরশিল্প ও এসএমই খাত বিকশিত করার জন্য সহজ এবং স্বল্প সুদে ঋণ সুবিধা দেয়ার পরিকল্পনা আমাদের রয়েছে। বৈষয়ক ই-কমার্স প্ল্যাটফর্মের পণ্য রপ্তানির লক্ষ্যে বেসরকারি শিল্প সম্প্রসারণ ও কর্মসংস্থান সৃষ্টির সহায়ক উদ্যোগ নেয়ার পরিকল্পনা নেয়া হয়েছে। সাইবার নিরাপত্তা, আউটসোর্সিং, ডাটা প্রসেসিং, আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স, সেমিকন্ডাক্টরসহ আইটি সেক্টরে নতুন শিল্প গড়ে তোলার পরিকল্পনা নেয়া হয়েছে। এসব সেক্টরে প্রতিবছর সরাসরি দুই লাখ এবং ফ্রিল্যান্সিং ক্রিয়েটিভ ইন্ডাস্ট্রি ও কন্টেইন ক্রিয়েশনের মাধ্যমে পরোক্ষভাবে আরো আট লাখ কর্মসংস্থান তৈরির লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে।

তিনি বলেন, দেশের অর্ধেক জনশক্তির বেশি নারীশক্তিকে রাষ্ট্র রাজনীতি অর্থনীতির মূলধারার বাইরে রেখে দেশের অগ্রগতি সম্ভব নয়। দেশে প্রায় চার কোটি পরিবার রয়েছে। যদি আপনারা বিএনপিকে রাষ্ট্র পরিচালনার দায়িত্ব দেন তাহলে আমরা এবার প্রথমবারের মতো দেশে প্রতিটি পরিবারের জন্য ফ্যামিলি কার্ড ইস্যু করার চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নিয়েছি। পরিবারগুলোর নারী প্রধানের নামে ফ্যামিলি কার্ড ইস্যু করা হবে। তবে প্রথমপর্যায়ে অর্থনৈতিকভাবে পিছিয়ে থাকা প্রান্তিক এবং নিম্নআয়ের পরিবারকে সুরক্ষা দিতে ফ্যামিলি কার্ডে প্রতি মাসে আড়াই হাজার টাকা কিংবা সমমূল্যের নিত্যপ্রয়োজনীয় খাদ্য সহায়তা দেয়া হবে। ফ্যামিলি কার্ডের মাধ্যমে আর্থিক সহযোগিতার পরিমাণ প্রয়োজন এবং বাস্তবতার নিরিখে পর্যায়ক্রমে বাড়ানো হবে। ফ্যামিলি কার্ডটিকে আমরা নারীর অর্থনৈতিক ক্ষমতায়নের প্রতীক হিসেবে মনে করি।

বেগম খালেদা জিয়া নারী শিক্ষার উন্নয়নে দেশের স্নাতকোত্তর পর্যন্ত বিনা বেতনে শিক্ষার সুযোগ চালুর কথা উল্লেখ করে তারেক রহমান সেই ধারা অব্যাহত রাখার ঘোষণা দেন। তিনি বলেন, পাশাপাশি নীতিনির্ধারণে নারীর অংশগ্রহণ ও ভূমিকা বাড়ানো হবে। নারী উদ্যোক্তাদের আর্থিক ও দক্ষতা উন্নয়নে বিশেষ সহায়তা প্রদানের পাশাপাশি আনুষ্ঠানিক খাতে নারী কর্মসংস্থান বৃদ্ধি করার পরিকল্পনা আমাদের রয়েছে। উপজেলা পর্যায়ে বিশেষায়িত নারী কল্যাণ কেন্দ্র প্রতিষ্ঠা করার পরিকল্পনা আমাদের রয়েছে। স্বাচ্ছন্দ্যে চলাফেরা নিশ্চিত করতে শুধু নারীদের জন্য বিশেষায়িত ইলেকট্রিক পরিবহন চালু করা হবে। কর্মপরিবেশ নিশ্চিত করতে কর্মস্থলে ডে-কেয়ার ও ব্রেস্টফিডিং কর্নার স্থাপন করা হবে। এছাড়া বিশেষ করে রাজধানী ঢাকাসহ বিভাগীয় শহরগুলোতে কয়েকটি নির্দিষ্ট স্থানে নারীদের জন্য হাইজেনিক বাথরুম নির্মাণের পরিকল্পনা আমাদের রয়েছে। আমাদের সমাজের নারীরা নানাভাবে হয়রানি এবং সহিংসতার শিকার হন। বর্তমান সময় নারীর প্রতি সাইবার বুলিং উদ্বেগজনক রূপ নিয়েছে। বুলিংসহ নারীর প্রতি যেকোনো ধরনের সহিংসতা বন্ধে কঠোর আইন প্রয়োগের পরিকল্পনা এবং সিদ্ধান্ত আমাদের রয়েছে। নারী নির্যাতন ও ধর্ষণের বিরুদ্ধে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত অবশ্যই ইনশাআল্লাহ করা হবে।
কৃষকদের বিষয়ে বিএনপি চেয়ারম্যান বলেন, বিএনপি বিশ্বাস করে কৃষকের স্বার্থরক্ষার অর্থ দেশের স্বার্থরক্ষা। আমরা কৃষকদের স্বার্থরক্ষার জন্য কৃষকদের জন্য ফার্মাস কার্ড ইস্যুর উদ্যোগ নিয়েছি। এই কার্ডের মাধ্যমে কৃষক একদিকে কৃষিসংক্রান্ত হালনাগাদ তথ্য পাবেন। অপরদিকে সরকারের কাছ থেকে পাবেন আর্থিক এবং অন্যান্য প্রয়োজনীয় সহযোগিতা। দেশে কোটি কোটি কৃষক শ্রমিক রয়েছেন। অধিকাংশই কর্মক্ষম। কর্মক্ষম কৃষকদের জন্য একদিকে যেরকম কর্মসংস্থান প্রয়োজন অপরদিকে প্রয়োজন তাদের শ্রমের ন্যায্য মজুরি এবং নিরাপদ কর্মপরিবেশ।

এছাড়া শিক্ষা বিশেষজ্ঞদের গবেষণা এবং সুপারিশের ভিত্তিতে শিক্ষা কারিকুলাম পরিমার্জনের পরিকল্পনা, শিক্ষাস্তরের প্রতিটি ধাপে একাডেমিক জ্ঞানের পাশাপাশি একটি বিশেষ কারিগরি ব্যবহারিক শিক্ষার দক্ষতাও অর্জন করা, শারীরিক ও মানসিক সুস্থতার জন্য আমরা জনগণের স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করার কার্যকর উদ্যোগ এবং পরিকল্পনা গ্রহণের কথা জানান তারেক রহমান। তিনি বলেন, জনগণের দৌড়গোড়ায় চিকিৎসাসেবা পৌঁছে দিতে। প্রিভেনশন ইজ বেটার দেন কিউর। অর্থাৎ প্রতিকারের চেয়ে প্রতিরোধই উত্তম। এ লক্ষ্যে প্রাথমিক স্বাস্থ্য ও চিকিৎসা কোর্স সম্পন্ন করিয়ে সারাদেশে এক লাখ হেলথকেয়ারার নিয়োগ দেয়ার পরিকল্পনা গ্রহণ করেছি। নিয়োগ পাওয়া হেলথকেয়ারদের শতকরা ৪০ ভাগই হবেন নারী সদস্য। প্রতিটি ইউনিয়ন পর্যায়ে নিয়োগ পাওয়া হেলথকেয়ারগণ মানুষের দোরগোড়ায় যাবেন এবং তাদের প্রাথমিক চিকিৎসা ও পরামর্শ দেবেন। আইসিটিকে দেশের অন্যতম থ্রাস সেক্টর হিসেবে চিহ্নিত করে ফ্রিল্যান্সিং এবং আউটসোর্সিংসহ তথ্যপ্রযুক্তি খাতকে রাষ্ট্রীয়ভাবে সহযোগিতা করার নীতিমালা চূড়ান্ত করেছে বিএনপি
তিনি আরো বলেন, প্রতিবন্ধী মানুষদের প্রতি শুধু পরিবার নয় রাষ্ট্রেরও বিশেষ দায়িত্ব রয়েছে। আমরা সেই দায়িত্ব যথাযথভাবে পালন করতে চাই। বাংলাদেশে প্রায় দুই লাখ মসজিদের কয়েক লাখ খতিব-ইমাম মুয়াজ্জিন সাহেব রয়েছেন। জন্ম থেকে মৃত্যু পর্যন্ত এই মানুষগুলোর সঙ্গে আমাদের রয়েছে ধর্মীয়, সামাজিক, আত্মিক এবং আধ্যাত্মিক সম্পর্ক। এদের অনেকেই আর্থিকভাবে পিছিয়ে রয়েছেন। জনগণের রায় বিএনপি রাষ্ট্র পরিচালনার সুযোগ পেলে দেশের ইমাম, খতিব, মুয়াজ্জিন এবং একইভাবে অন্য সব ধর্মের ধর্মীয় গুরুদের জন্য রাষ্ট্রীয়ভাবে আর্থিক সহযোগিতা ইনশাআল্লাহ আমরা নিশ্চিত করতে চাই।

সর্বশেষ - অর্থ ও বাণিজ্য

আপনার জন্য নির্বাচিত

বেলকুচিতে শেরনগর গ্রামবাসীর উদ্যোগে অষ্টকালীন লীলা কীর্তন অনুষ্ঠিত

বাছাই পেরিয়ে ২০২৪ টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে আয়ারল্যান্ড ও স্কটল্যান্ড

বেরোবি উপাচার্যের সঙ্গে সমবায় সচিবের সৌজন্য সাক্ষাৎ- ৭১বার্তা

জোটের মনোনয়ন নিয়ে ধোঁয়াশা: ইয়াসিনের গ্রহণযোগ্যতা নাকি পাশার বিতর্ক—কাকে বেছে নেবে আট দলীয় জোট? 

রায়গঞ্জের মডেল মসজিদের নির্মাণ কাজ সমাপ্ত, পরিদর্শন করলেন ইউএনও হুমায়ুন কবির

আমাকে যারা ভালবাসেন, তাদের নানা রকম কারণ

রোহিঙ্গা শিবির পরিদর্শনে ইইউ প্রতিনিধি দল

টাইফয়েড টিকাদান ক্যাম্পেইনে বেষ্ট পারফর্মেন্স অ্যাওয়ার্ড পেলে তাড়াশ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স

প্রতীক তালিকায় শাপলা কলি, শাপলাই চায় এনসিপি

খালেদা জিয়ার দ্রুত সুস্থতা কামনায় দেশবাসীর কাছে দোয়া চেয়েছেন প্রধান উপদেষ্টা