আজিজুর রহমান মুন্না, সিরাজগঞ্জঃ
সিরাজগঞ্জে ফিস্টুলা নির্মূল কার্যক্রম নিয়ে প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ার সাংবাদিকদের নিয়ে কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়।
বুধবার (১০ ডিসেম্বর) সকালে সিভিল সার্জন অফিসের কনফারেন্স রুমে স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা বিভাগের আয়োজনে ও ল্যাম্ব–ইউএনএফপিএ–এফআরআরই প্রকল্পের সহযোগিতায় কর্মশালায় সভাপতিত্ব করেন সিরাজগঞ্জ সিভিল সার্জন ডাঃ মোঃ নুরুল আমীন।
উক্ত কর্মশালায় বক্তব্যে রাখেন, ডেপুটি সিভিল সার্জন (ভারপ্রাপ্ত) ডাঃ মোঃ রিয়াজুল ইসলাম,সহকারী রেজিস্ট্রার ডাঃ সালমা খাতুন, ল্যাম্ব হাসপাতালের প্রেজেক্ট ম্যানেজার মোহাম্মদ আলী,ইউএনএফপিএ ডাঃ কানিজ ফাতেমা প্রমূখ। সিরাজগঞ্জ ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট হাসপাতালের ডাঃ বনানী রানী পাওয়ার প্রেজেন্টেশন উপস্থাপন করেন এবং কর্মশালাটি সঞ্চালনায় করেন, পরিসংখ্যানবিদ মোঃ হুমায়ুন কবির।
এসময় সিরাজগঞ্জ প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক মোঃ শরীফুল ইসলাম ইন্না, ল্যাম্ব–ইউএনএফপিএ এফআর আরই প্রকল্পের জেলা সমন্বয়কারী মোঃ শরিফুল ইসলাম (শরিফ), ল্যাম্ব মনিটরিং অ্যান্ড ডকুমেন্টেশন কো-অর্ডিনেটর নাহিদা আফরিন সহ কর্মশালায় জেলার বিভিন্ন প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ার প্রতিনিধিরা অংশ গ্রহণ করেন।
কর্মশালায় বক্তারা বলেন, প্রতিরোধ সম্ভব, সচেতনতা জরুরি, ফিস্টুলা হলো- এমন একটি অবস্থা যেখানে প্রসবজনিত জটিলতার কারণে মাসিকের রাস্তার সাথে মূত্রথলী বা মলাশয়ের অস্বাভাবিক ছিদ্র তৈরি হয়, ফলে সবসময় প্রস্রাব বা পায়খানা ঝরতে থাকে। বিলম্বিত ও বাধাগ্রস্ত প্রসব, জরুরি প্রসূতি সেবার অভাব, অদক্ষ ধাত্রী দিয়ে বাড়িতে ডেলিভারি, বাল্যবিবাহ ও কম বয়সে সন্তান নেওয়া—এসবই ফিস্টুলার প্রধান কারণ। ফিস্টুলা রোগী সহজেই চেনা যায়—তাদের কাপড় সবসময় ভেজা থাকে, প্রস্রাবের চাপ থাকে না এবং শরীর থেকে সবসময় দুর্গন্ধ বের হয়। ডেলিভারির পরই এই সমস্যা শুরু হয়। ফিস্টুলা সম্পূর্ণ প্রতিরোধযোগ্য চিকিৎসাযোগ্য। রোগীকে দ্রুত নিকটবর্তী জেলা হাসপাতালের ফিস্টুলা কর্নারে নিয়ে যেতে হবে। দিনাজপুরের পার্বতীপুরে ল্যাম্ব হাসপাতালে ফিস্টুলা রোগীরা বিনামূল্যে চিকিৎসা ও পুনর্বাসন সুবিধা পেয়ে থাকেন।



















