৫ই মে, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, এখন সময় বিকাল ৩:২৭ মিনিট
  1. অর্থ ও বাণিজ্য
  2. আন্তর্জাতিক
  3. খুলনা
  4. খেলা
  5. চাকরি
  6. জাতীয়
  7. ধর্ম
  8. নির্বাচন
  9. বিনোদন
  10. রাজনীতি
  11. শিক্ষাজ্ঞন
  12. শিল্প ও সাহিত্য
  13. সারাদেশ

জীবন সংগ্রামে হার না মানা স্বামী হারা লাইলী বেগম – তিন শিশু সন্তান কে নিয়ে জীবন যুদ্ধে দিন পার করছেন

প্রতিবেদক
joysagor
ডিসেম্বর ১১, ২০২৫ ৪:১৪ পূর্বাহ্ণ

মাসুদ রানা বাচ্চু সিরাজগঞ্জ প্রতিনিধিঃ
একজন সাধারণ মানুষের অসাধারণ হয়ে ওঠার পিছনে থাকে ভিন্ন কিছু গল্প। তেমনি এক গল্প হলো  সিরাজগঞ্জ সদর উপজেলার ছোনগাছা ইউনিয়নের পারপাচিল গ্রামের লাইলী বেগম।
তার এই গল্প রূপকথাকে হার মানানো এক অপ্রতিরোধ্য সৈনিকের জীবনযুদ্ধে জয়ী হবার গল্প। জন্মের পর থেকে আমৃত্যু কেউ সুখে বসবাস করেন আবার কাউকে সারা জীবন সংগ্রাম করে বেঁচে থাকতে হয়। তাদের জীবনের সংগ্রাম যেন শেষ হয় না। এমনই একজন হার না মানা লাইলী বেগম । নিন্ম মধ্যবিত্ত পরিবারে জন্ম নেওয়া লাইলী বেগম। মা বাবার একমাত্র বড় মেয়ে লাইলী বেগম কে ২৫ বছর আগে বিয়ে দেয় পার পাচিল গ্রামের নজরুল ইসলামের সাথে। স্বামী কুলির কাজ করে তাদের সংসার মোটামুটি ভালোই চলছিল। তাদের ঘরে জন্য নেয় এক মেয়ে দুই ছেলে। মেয়ে মোছাঃ নাসিমা খাতুন (১৬) ছেলে মো. ইয়াসিন (১০) নাসির (৮)। নাসিরের জন্মের পর পরই যমুনা নদীর ভাংঙ্গনে বাড়ি ঘর ভেংঙ্গে বিলিন হ’য়ে যায়।তার পর যমুনা নদীর তীরে ভাংগাচুড়া একটি ঘর উঠাইয়া বসবাস করতে থাকে। বছর না যেতেই নজরুল ইসলাম ব্রেইন ষ্টোক করে মারা যায়।
লাইলী বেগমের মাথায় যেন আকাশ ভেঙে পড়ে।এদিকে মা বাবা বৃদ্ধ লাইলী বেগম যেন কোন কুল-কিনারাহীণ হয়ে পড়ে।
লাইলী বেগম বলে বিভিন্ন লোক বিভিন্ন কথা বলতো আগে যে তোমার এখনো বয়স কম বিয়ে সাধী বসো। আমি বলছি আমার এই তিনটা শিশুর কি হবে? আমি সব চিন্তা ভাবনা বাদ দিয়ে বাচ্চাদের মুখের দিকে তাকাইয়া অন্য মানুষের থেকে দুই টা ছাগল বর্গা নিয়ে লাগল পালন করি আর দুই এক মুঠো খড়ি খুটিয়ে বিক্রি করে তাই দিয়ে ডালভাত হয়।এভাবে মেয়েটাকে ইন্টার পাশ করাইছি আমার কষ্ট দেখে মেয়ে টা দুই মাস হয় ঢাকা গার্মেন্টসে গিয়েছে এখন এই দুই বাচ্চা নিয়ে খেয়ে না খেয়ে দিন পার করছি।
শিশু বাচ্চা নাসির উদ্দীন বলে, আমাদের স্কুলে যেতে মন চায়,আমাদের ভালো জামা কাপড় পড়তে মন চায় কিন্তু আমার মায়ের কষ্ট দেখে স্কুলে যা-ই না। কেউ ৫. ১০ টাকা দিলে লবণ, পেঁয়াজ এগুলো কিনে আনি। আর মায়ের সাথে খড়ি খুটি।
এলাকা বাসী বলেন, এদের কষ্ট দেখে চোখে পানি চলে আসে। এদের চেয়ে এলাকায় অসহায় আর কেউ নেই।
এই বয়সে বাচ্চাদের কত জামাকাপড় কত সধাই খায় অথচ এই দুটি বাচ্চা কত কষ্ট করে।কেউ  পাঁচ. দশ টাকা দিলে সদাই না খেয়ে মায়ের কষ্ট দেখে লবণ পেঁয়াজ এগুলো কিনে আনে যেন মায়ের একটু কষ্ট দূর হয়।তাই আমাদের দাবি সরকার বা কোন দানশীল ব্যক্তি এই মাসুম দুই টি শিশুর মুখের দিকে তাকিয়ে একটু সু নজর দিবেন।
লাইলী বেগম বলেন, হারানোর বেদনা খুবই কষ্ট দেয় আমাকে। তারপরও তিনটি বাচ্চা  ভালো রাখার এক আকাশ সমান দায়িত্ব কাঁধে নিয়ে সাত বছরের পথচলা। আমার বেঁচে থাকার এ যুদ্ধ খেলায় সবার সহযোগিতা কামনা করছি।

সর্বশেষ - শিক্ষাজ্ঞন

আপনার জন্য নির্বাচিত

আপিল শুনানির দ্বিতীয় দিনে প্রার্থিতা ফিরে পেলেন ৫৭ জন

কাউন্সিলর রফিকুল আলমের রোগমুক্তি কামনায় দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত – ৭১বার্তা

শোকে স্তব্ধ দেশ

মানবাধিকার কমিশনকে আরও শক্তিশাল করতে নতুন অধ্যাদেশ অনুমোদন

অপারেশন ডেভিল হান্ট ফেজ-২ অভিযানে নওগাঁয় ১৪ জন গ্রেফতার

রংপুরে ৩০টি উন্নয়নমূলক কাজের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করবেন প্রধানমন্ত্রী…. সুজিত রায় নন্দী

আখেরি মোনাজাতের মধ্য দিয়ে শেষ হলো পটল বিল, সিদ্দিক নগর বাৎসরিক বিশ্ব ইজতেমা

অপসাংবাদিকতা প্রতিরোধে মানিকগঞ্জে প্রশিক্ষণ কর্মশালা

তাড়াশে ‘ওপেন সিক্রেট’ অবৈধ পুকুর খনন

মন্ত্রী-এমপিদের মার্জিত ও সতর্ক থাকতে বলেছেন প্রধানমন্ত্রী