জয়সাগর নিউজ ডেস্ক:
প্রতিহিংসার রাজনীতি থেকে বাংলাদেশকে বের করে আনার কথা বললেন বিএনপির নবনিযুক্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান। তিনি বলেন, রাজনৈতিক মতপার্থক্য যেন মতবিভেদে পরিণত না হয়, দেশকে বিভক্তির পথে ঠেলে না দেয়। বিএনপি হিংসা ও প্রতিহিংসার রাজনীতি পরিহার করে দেশকে সঠিক পথে নিয়ে যেতে চায়। বিএনপি চেয়ারম্যানের দায়িত্ব নেওয়ার পর প্রথম কোনো অনুষ্ঠানে গতকাল দেশের মানুষের জন্য নিজের প্ল্যান বা কর্মপরিকল্পনা সাংবাদিকদের কাছে তুলে ধরে সবার সহযোগিতা চান তিনি। দুপুরে রাজধানীর বনানীতে হোটেল শেরাটনের বলরুমে বিভিন্ন মিডিয়ার সম্পাদক ও সিনিয়র সাংবাদিকদের সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময় করেন তিনি। এর আগে অনুষ্ঠানস্থলে এসেই তারেক রহমান উপস্থিত অতিথিদের সঙ্গে করমর্দন ও কুশলাদি বিনিময় করেন। অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য দেন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। সভা পরিচালনা করেন বিএনপি মিডিয়া সেলের আহ্বায়ক অধ্যাপক ডা. মওদুদ হোসেন আলমগীর পাভেল, বিএনপি চেয়ারম্যানের প্রেস সচিব সালেহ শিবলী ও বিএনপি নির্বাচন পরিচালনা কমিটির সদস্য ব্যারিস্টার গিয়াস উদ্দিন রিমন। মিডিয়াব্যক্তিত্বদের মধ্যে বক্তব্য দেন
যায়যায়দিন সম্পাদক শফিক রেহমান, ডেইলি স্টার সম্পাদক মাহফুজ আনাম, মানবজমিনের প্রধান সম্পাদক মতিউর রহমান চৌধুরী, ইনকিলাব সম্পাদক এ এম এম বাহাউদ্দিন, আমার দেশ সম্পাদক মাহমুদুর রহমান, নিউএজ সম্পাদক নূরুল কবীর, যুগান্তর সম্পাদক আবদুল হাই শিকদার, নয়া দিগন্ত সম্পাদক সালাহউদ্দিন বাবর, বিডিনিউজডটকম-এর তৌফিক ইমরুজ খালিদী, একুশে টিভির আবদুস সালাম, সাংবাদিক মমতাজ বিলকিস, টক শোর আলোচক ডা. জাহিদ-উর রহমান প্রমুখ।
সম্পাদকদের বক্তব্যের পর ১০ মিনিটের জন্য অডিয়্যান্সে মাইক পাঠিয়ে উপস্থিত সাংবাদিকদের খোলামনে প্রশ্ন করার সুযোগ দিয়ে প্রতিটি প্রশ্নের উত্তর দেন বিএনপির শীর্ষ নেতা। তারেক রহমান তাঁর বক্তব্যে বলেন, আমার এক পাশে ১৯৮১ সালের একটি জানাজা, আরেক পাশে ২০২৫ সালের ৩১ ডিসেম্বরের জানাজা এবং তৃতীয় পাশে ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট। এসব ঘটনা সামনে রাখলে বোঝা যায় আগের অবস্থায় ফেরার কোনো প্রয়োজন নেই। বাংলাদেশ ইতোমধ্যে যে মূল্য দিয়েছে, বিশেষ করে ৫ আগস্টের ঘটনা, তা রাজনীতিকে নতুনভাবে ভাবতে বাধ্য করেছে। সব রাজনৈতিক পক্ষকে আলোচনার মাধ্যমে সমাধান খোঁজার আহ্বান জানিয়ে বিএনপি চেয়ারম্যান বলেন, মতপার্থক্য থাকতেই পারে। কিন্তু সেটি যেন কোনোভাবেই মতবিভেদ বা জাতিকে বিভক্ত করার পর্যায়ে না যায়। ৫ আগস্টে আমরা দেখেছি তার পরিণতি কী হতে পারে।
তিনি বলেন, নতুন প্রজন্ম আশার খোঁজে আছে, সব প্রজন্মই একটি দিকনির্দেশনা খুঁজছে। সাংবাদিকদের গঠনমূলক সমালোচনার আহ্বান জানিয়ে তারেক রহমান বলেন, সমালোচনা প্রয়োজন। কিন্তু শুধু সমালোচনার জন্য সমালোচনা নয়। এমন সমালোচনা চাই, যা দেশের সমস্যার সমাধানে সাহায্য করে। দেড় যুগের নির্বাসিত জীবন কাটিয়ে গত ২৫ ডিসেম্বর দেশে ফেরার পর কয়েকটি স্থানে যাওয়ার সুযোগ পেয়েছেন বলে উল্লেখ করেন তারেক রহমান। সেই অভিজ্ঞতার কথা জানিয়ে তিনি বলেন, আমার মনে হয়েছে রাজনীতিবিদদের ওপর দেশের মানুষের প্রত্যাশা অনেক এবং সব প্রত্যাশা পূরণ সম্ভব না হলেও রাষ্ট্রের সঠিক পথে অগ্রযাত্রা নিশ্চিত করা তাঁদের দায়িত্ব। তারেক রহমান তাঁর নিজের প্ল্যানের কথা তুলে ধরে বলেন, দেশে প্রায় দেড় কোটি কৃষকের জন্য ‘অ্যাগ্রি কার্ড’ চালুর ভাবনা রয়েছে। তিনি বলেন, যারা ২০ কোটি মানুষের খাবারের সংস্থান করছে, সেই বিপুল জনগোষ্ঠীর জন্য কোনো ভেন্যু নেই। তাদের সমস্যাগুলো আমাদেরই জানতে হবে। নারীশিক্ষায় মা ও দেশের তিনবারের প্রধানমন্ত্রী প্রয়াত খালেদা জিয়ার ভূমিকার কথা তুলে ধরে তারেক রহমান বলেন, পরবর্তী সরকার গঠন করতে পারলে শিক্ষিত নারীদের অর্থনৈতিকভাবে স্বাবলম্বী করার জন্য ফ্যামিলি কার্ড চালুর পরিকল্পনা রয়েছে। তিনি বলেন, বাংলাদেশের যে হাফ পপুলেশন নারী তাদেরকে ঘিরে। সেটি হচ্ছে ফ্যামিলি কার্ড। যেমন ফ্যামিলি কার্ডের একটি পরিকল্পনা-একজন নারী এটা পাবেন, একজন গৃহিণী বা একজন মা পাবেন এটি। এর ব্যবহারের ও সঞ্চয়ের মাধ্যমে পুরো পরিবারটিই স্বাবলম্বী হতে পারবে। স্বাস্থ্য খাতে ব্যয় কমাতে প্রিভেনশন মডেল অনুসরণ করার কথা উল্লেখ করে তারেক রহমান বলেন, কোন খাবার না খেলে কিডনি, হার্ট বা ডায়াবেটিসের ঝুঁকি কমে, ইত্যাদি বিষয়ে মানুষকে সচেতন করা গেলে রাষ্ট্রের ব্যয় কমে, মানুষও সুস্থ থাকে। এ নিয়ে স্বাস্থ্যকর্মী নিয়োগের পরিকল্পনা আছে বলেও জানান তিনি। তিনি বলেন, খুব দুঃখজনক হলো বাংলাদেশ বাদই দিলাম-শুধু ঢাকা শহরের মধ্যেই কোনো অ্যাম্বুলেন্স সার্ভিস নেই। গত ৫৪-৫৫ বছরে আমরা মানুষের চিকিৎসাসেবার জন্য অ্যাম্বুলেন্স সার্ভিস গড়ে তুলতে সক্ষম হইনি। এটি খুবই দুঃখজনক ব্যাপার। তারেক রহমান আরও বলেন, পানির সমস্যা এখন যেভাবে চলছে এভাবে যদি চলে আমার যতটুক ধারণা আগামী ১০ থেকে ১৫ বছর হার্ডলি ২০ বছর পরে ঢাকা শহরে কোনো জায়গা থেকে পানি আমরা পাব না। আমাদের বুড়িগঙ্গা নদী সম্পূর্ণ রকম পলিউটেড, ১০০ শতাংশ পলিউটেড। শীতলক্ষ্যা নদী ৫০ শতাংশের মতো পলিউটেড। এখন মেঘনা নদী থেকে পানি আনার চেষ্টা করা হচ্ছে, কয়েকটা প্রজেক্ট কাজ হচ্ছে। কিন্তু এটার পানিও আগামী ১০ থেকে ১৫ বছরের মধ্যে পলিউটেড হয়ে যাবে। তখন ঢাকা শহরে যে সাড়ে তিন কোটির মতো মানুষ বাস করে, এরা পানি পাবে না। পানির অপর নাম জীবন। সারা দেশে যদি এই সমস্যা শুরু হয় তাহলে বিষয়টি কত ভয়াবহ হতে পারে। আমার মনে হয় এরকম বিষয়গুলো নিয়ে বোধ হয় এখন আলোচনা হওয়া উচিত। সেটি সংসদে হোক সেটি বিভিন্ন সেমিনারে হোক। কারণ তা না হলে একটি ভয়াবহ ভবিষ্যৎ আমাদের সামনে অপেক্ষা করছে। হয়তোবা ‘হুইচ ইজ ভেরি আনওয়ান্টেড’।
‘কর্মসংস্থান’ প্রসঙ্গে তারেক রহমান বলেন, আমাদের ২০ কোটির মতো মানুষ এই দেশে এবং এই ২০ কোটি মানুষের মধ্যে একটি বড় অংশ হচ্ছে তরুণ সমাজের সদস্য। এই তরুণ সমাজের সদস্যদের বিভিন্নভাবে আমাদের উপায় বের করতে হবে-কীভাবে তাদের কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করা যায়। সেটি দেশের ভিতরে হোক বা সেটি দেশের বাইরে হোক। আমরা যদি এ ক্ষেত্রে সক্ষম না হই এই কাজটি করতে, তাহলে আমরা ৫ আগস্ট বলি, নব্বইয়ের আন্দোলন বলি, একাত্তর সালের স্বাধীনতা যুদ্ধ বলি, আমাদের মনে হয় খুব সম্ভবত প্রত্যেকটি প্রত্যাশা ধ্বংস হয়ে যাবে।
নারী-পুরুষের নিরাপত্তার প্রসঙ্গ টেনে তিনি বলেন, বাংলাদেশে গত বছরে ৭ হাজারের মতো মানুষ রোড অ্যাকসিডেন্টে মারা গিয়েছে। আমার কাছে বিষয়টি খুব অস্বাভাবিক লাগে। আমার ধারণা, আপনারা যদি একটু চিন্তা করেন আপনাদের প্রত্যেকের কাছে বিষয়টি অস্বাভাবিক লাগবে। কিন্তু ঘটনাটি ঘটছে, কোনো বছর বেশি কোনো বছর কম। এই অস্বাভাবিক ঘটনাটি কেন ঘটবে? একজন মানুষ রোড অ্যাকসিডেন্টে অধিকাংশ ক্ষেত্রে যারা মারা যাচ্ছে, আমরা যদি তাদের সামাজিক স্ট্যাটাসটা দেখি খুব অবস্থাপন্ন লোক যারা আর্থিকভাবে সচ্ছল তারা যে মারা যাচ্ছে তা না। কিন্তু যে মানুষগুলো মারা যাচ্ছে সেই মানুষটি হয়তোবা তাদের ফ্যামিলির অনলি আর্নিং সোর্স, মারা যাওয়ার পরে সেই ফ্যামিলিটির কী অবস্থা হচ্ছে অথবা লোকটি যদি পঙ্গু হয়ে যায় মানুষটি যদি পঙ্গু হয়ে যায় তাহলে তার ফ্যামিলির ওপরে কী হচ্ছে। এই বিষয়টি বোধ হয় আমাদের নজরে আনা উচিত। এরকম অনেকগুলো বিষয় আছে, যে বিষয়গুলো আমার মনে হয় রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে চিন্তাভাবনা হওয়া উচিত।
কৃষকদের অবস্থা তুলে ধরে তারেক রহমান বলেন, কৃষকদের বিভিন্ন অসহায়ত্বের নিউজ আপনাদের সংবাদপত্রে প্রকাশ হয় বিভিন্ন সময়ে। আপনাদের খবরে প্রকাশিত হচ্ছে বিভিন্ন সময়ে সেটি ইলেকট্রনিক মিডিয়ায় হোক বা সেটি মেইন মিডিয়া প্রিন্টেড মিডিয়াতেই হোক প্রকাশিত হয়েছে। আমাদের বিগত সরকারের কথা বলব, আমার দলের বিগত সরকারের কথা বলব সেই সরকার বিভিন্ন সময় বিভিন্ন পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে। তিনি বলেন, আগামী নির্বাচনে ইনশাল্লাহ জনগণের ম্যান্ডেট নিয়ে আমরা সরকার গঠনে সক্ষম হলে আমাদের একটি পরিকল্পনা রয়েছে শিক্ষিত নারীদের অর্থনৈতিকভাবে স্বাবলম্বী করে গড়ে তোলা। আমি যে ফ্যামিলি কার্ডটির কথা বলেছিলাম সেটির লক্ষ্য বা উদ্দেশ্য হচ্ছে এই নারীসমাজকে স্বাবলম্বী করে গড়ে তোলা। আমাদের হিসাবমতে, বাংলাদেশে ৪ কোটি ফ্যামিলি আছে। আমরা যদি পরিবার হিসাবে ভাগ করি এভারেজে একটি পরিবারে পাঁচজন করে সদস্য ধরা হয়েছে।
অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ প্রতিদিনের সম্পাদক আবু তাহের ও নির্বাহী সম্পাদক এ. কে. এম. মন্জুরুল ইসলাম, কালের কণ্ঠের সম্পাদক হাসান হাফিজ, প্রতিদিনের বাংলাদেশ সম্পাদক মারুফ কামাল খান সোহেল, দেশ রূপান্তর সম্পাদক কামাল উদ্দিন সবুজ, সংবাদের সম্পাদক আলতামাশ কবির, ফিন্যান্সিয়াল এক্সপ্রেসের সম্পাদক শামসুল হক জাহিদ, সমকাল সম্পাদক শাহেদ মুহাম্মদ আলী, বিজনেস স্ট্যান্ডার্ড সম্পাদক ইনাম আহমেদ, বণিক বার্তা সম্পাদক হানিফ মাহমুদ, ডেইলি সান সম্পাদক মো. রেজাউল করিম, সময়ের আলোর সৈয়দ শাহনাজ করিম, সুরমার (লন্ডন) শামসুল আলম লিটন, কালবেলার সন্তোষ শর্মা, আজকের পত্রিকার কামরুল হাসান, খবরের কাগজের মোস্তফা কামাল, মানবকণ্ঠের শহীদুল ইসলাম, দেশ বার্তার সালেহ বিপ্লব, নিউ নেশনের মোকাররম হোসেন প্রমুখ। আরও উপস্থিত ছিলেন নয়া দিগন্তের মাসুমুর রহমান খলিলী, প্রথম আলোর সাজ্জাদ শরিফ, জনকণ্ঠের খুরশীদ আলম, বাংলা বাজার পত্রিকার রাশেদুল হক, যুগান্তরের এনাম আবেদীন, টাইম অব বাংলাদেশ-এর ইলিয়াস খান, আমাদের সময়ের নজরুল ইসলাম, নাগরিক সংবাদের সুমন প্রামাণিক, দিকপালের শাহীন রাজা, নাগরিক প্রতিদিনের হাসনাইন খুরশীদ প্রমুখ।
অন্যদিকে ফেডারেল সাংবাদিক ইউনিয়নের মহাসচিব কাদের গণি চৌধুরী, সাংবাদিক মোস্তফা কামাল মজুমদার, আবদুল আউয়াল ঠাকুর, এম এ আজিজ, নুরু উদ্দিন নুরু, এ কে এম মহসিন, শাহেদুল ইসলাম চৌধুরী, খাজা মাইন উদ্দিন, জাহেদুল ইসলাম রনি, হাফিজুর রহমানসহ সিনিয়র সাংবাদিকরা উপস্থিত ছিলেন।
বিএনপির জাতীয় স্থায়ী কমিটির সদস্যদের মধ্যে ছিলেন মির্জা আব্বাস, ড. আবদুল মঈন খান, আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী, সালাহউদ্দিন আহমদ, মেজর (অব.) হাফিজ উদ্দিন আহমদ বীরবীক্রম, ভাইস চেয়ারম্যান ড. আসাদুজ্জামান রিপন, চেয়ারম্যানের উপদেষ্টা আবদুস সালাম, মাহাদী আমীন, মিডিয়া সেলের সদস্য আতিকুর রহমার রুমন, শাম্মী আখতার, শায়রুল কবির খান, আবু সায়েম, বিএনপির সাইমুম পারভেজ, শামসুদ্দিন দিদার, চেয়ারম্যানের একান্ত সচিব এ বি এম আবদুস সাত্তার এবং চেয়ারম্যানের প্রধান নিরাপত্তা কর্মকর্তা অবসরপ্রাপ্ত ব্রিগেডিয়ার জেনারেল এ কে এম শামসুল ইসলাম। অনলাইন নিউজ এজন্সিগুলোর মধ্যে ছিলেন বাসসের চেয়ারম্যান আনোয়ার আল দীন, ব্যবস্থাপনা পরিচালক মাহবুব মোর্শেদ, ইউএনবির প্রধান সম্পাদক এনায়েত উল্লাহ খান, সম্পাদক মাহফুজুর রহমান, বাংলা নিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমের সম্পাদক তৌহিদুল ইসলাম মিন্টু, ঢাকা স্টিমের ইফতেখার মাহমুদ, ঢাকা মেইলের হারুন জামিল, ঢাকা ট্রিবিউনের জাফর সুবহান, ঢাকা পোস্টের কামরুল ইসলাম। বিবিসির সম্পাদক সাব্বির মোস্তফা, বিশেষ প্রতিনিধি কাদির কল্লোল, আলজাজিরার তানভীর চৌধুরী, রয়টার্সের রুমা পাল, এএফপির শেখ সাবিহা আলম প্রমুখ। এ ছাড়া বাংলাদেশ টেলিভিশনের মহাপরিচালক মাহবুব আলম, বাংলাদেশ বেতারের মহাপরিচালক জেড এম জাহেদুর রহমান, বেসরকারি টেলিভিশনের শীর্ষ প্রধানদের মধ্যে সময় টিভির জুবায়ের আহমেদ, চ্যানেল আইয়ের শাইখ সিরাজ, বাংলা ভিশনের ড. আবদুল হাই সিদ্দিকী, এনটিভির ফখরুল আলম কাঞ্চন, মোস্তফা খন্দকার, ইটিভির আবদুস সালাম, যমুনা টিভির ফাহিম আহমেদ, ডিভিসির লোটন একরাম, একাত্তর টিভির শফিক আহমেদ, এটিএনের হাসান আহমেদ চৌধুরী কিরণ, বৈশাখী টিভির জিয়াউল কবীর সুমন, নিউজ টোয়েন্টিফোরের শরীফুল ইসলাম খান, গ্রিন টিভির মাহমুদ হাসান, গাজী টিভির গাউসুল আজম দীপু, এটিএন নিউজের শহীদুল আজম, মাছরাঙার রেজানুল হক রাজা, চ্যানেল টোয়েন্টিফোরের জহিরুল আলম, আরটিভির ইলিয়াস হোসেন, মোহনা টিভির এমএ মালেক, স্টার টিভির ওয়ালিউর রহমান মিরাজ, এখন এর তুষার আবদুল্লাহ, ইনডিপেনডেন্টের মোস্তফা আকমল, মাইটিভির ইউসুফ আলী প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।
তারেক রহমানের সঙ্গে সাক্ষাৎ ভারতীয় হাইকমিশনারের : বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমানের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন ঢাকায় নিযুক্ত ভারতের হাইকমিশনার প্রণয় ভার্মা। তিনি গতকাল সন্ধ্যায় বিএনপির রাজধানীর গুলশান কার্যালয়ে তাঁর সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন। এ সময় বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, দলটির স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাহউদ্দিন আহমদ প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন। এ ছাড়া, বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমানের সঙ্গে ইউরোপীয় পার্লামেন্টের সদস্য ও ইইউ নির্বাচন পর্যবেক্ষণ মিশনের প্রধান পর্যবেক্ষক ড. ইভারস আইজাবস সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন।
প্রায় ঘণ্টা ধরে চলা বৈঠক শেষে বিকাল ৪টার একটু আগে কার্যালয় থেকে বের হয় ইউরোপীয় ইউনিয়নের নির্বাচনি পর্যবেক্ষক দল। এর আগে শুক্রবার বিকাল সাড়ে ৪টার দিকে তারেক রহমানের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন ঢাকায় নিযুক্ত পাকিস্তানের হাইকমিশনার ইমরান হায়দার। সূত্র: বাংলাদেশ প্রতিদিন



















