১৭ই মার্চ, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, এখন সময় রাত ২:৩৯ মিনিট
  1. অর্থ ও বাণিজ্য
  2. আন্তর্জাতিক
  3. খুলনা
  4. খেলা
  5. চাকরি
  6. জাতীয়
  7. ধর্ম
  8. নির্বাচন
  9. বিনোদন
  10. রাজনীতি
  11. শিক্ষাজ্ঞন
  12. শিল্প ও সাহিত্য
  13. সারাদেশ

ত্রয়োদশ সংসদের প্রথম অধিবেশন বেশ প্রাণবন্ত

প্রতিবেদক
joysagor
মার্চ ১৬, ২০২৬ ৬:৪৮ পূর্বাহ্ণ

জয়সাগর নিউজ ডেস্ক:
সরকারি দল ও বিরোধী দলের তর্ক-বিতর্কে ত্রয়োদশ সংসদের প্রথম অধিবেশন বেশ প্রাণবন্ত হয়ে উঠেছে। জুলাই জাতীয় সনদের প্রস্তাব বাস্তবায়নে সংবিধান সংস্কার পরিষদ গঠন নিয়ে জাতীয় সংসদে গতকাল বেশ যুক্তি-তর্ক হয়েছে। জাতীয় সংসদে অনির্ধারিত আলোচনায় সংবিধান সংস্কার পরিষদ নিয়ে দ্বিতীয় দিনই সরকারি দল ও বিরোধীদলের মধ্যে এই অনির্ধারিত বিতর্ক হয়। জুলাই জাতীয় সনদ (সংবিধান সংস্কার) বাস্তবায়ন আদেশ অনুসারে নির্ধারিত সময়ে সংবিধান সংস্কার পরিষদের অধিবেশন আহ্বান না করায় জাতীয় সংসদে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন বিরোধীদলীয় নেতা জামায়াতের আমির ডা. শফিকুর রহমান। এর জবাবে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ বলেছেন, সংবিধান অনুযায়ী ‘সংস্কার পরিষদ’ বলে কিছু নেই। সংবিধানে ‘সংবিধান সংস্কার পরিষদের’ অস্তিত্ব না থাকায় প্রধানমন্ত্রী প্রেসিডেন্টকে পরামর্শ দিতে পারেন না। প্রেসিডেন্টও অধিবেশন ডাকতে পারেন না বলে তা করেননি। বিরোধীদলীয় নেতাকে সংবিধান সংস্কারের বিষয়ে সংসদের কার্য উপদেষ্টা কমিটিতে আলোচনার তিনি প্রস্তাব দেন।
বেলা ১১টায় স্পিকার এম হাফিজ উদ্দিন আহমদের সভাপতিত্বে সংসদ অধিবেশন শুরু হয়। শুরুতেই অনির্ধারিত আলোচনার জন্য দাঁড়ান জাতীয় সংসদের বিরোধীদলীয় নেতা ও জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান। তখন স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ বলেন, প্রশ্নোত্তর পর্ব শেষ হলে বিরোধীদলীয় নেতাকে সুযোগ দেয়া হবে। প্রশ্নোত্তর পর্ব শেষে বিরোধীদলীয় নেতাকে ফ্লোর দেন স্পিকার। বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান বলেন, জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের প্রেক্ষাপটে গঠিত এই সংসদ স্বাভাবিকভাবে তার নির্বাচনী প্রক্রিয়ায় আসেনি। এটি প্রেসিডেন্টের আদেশের মাধ্যমে এসেছে। এটি জারি করা হয়েছে ১৩ নভেম্বর ২০২৫। সংসদে জুলাই জাতীয় সনদ (সংবিধান সংস্কার) বাস্তবায়ন আদেশ পুরোটা পড়ে শোনান বিরোধীদলীয় নেতা। তিনি বলেন, এই আদেশ অনুযায়ী নির্বাচনের ফলাফল ঘোষণার ৩০ দিনের মধ্যে সংবিধান সংস্কার পরিষদের
অধিবেশন আহ্বানের কথা রয়েছে। কিন্তু এর মধ্যে এই অধিবেশন ডাকা হয়নি। আমার উদ্বেগের বিষয়টি এখানে। জুলাই সনদ আদেশের বিভিন্ন ধারা উল্লেখ করে জামায়াত আমির বলেন, আদেশে বলা রয়েছে গণভোটে ‘হ্যাঁ’ জয়ী হলে জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নির্বাচিত প্রতিনিধিদের নিয়ে একটি সংবিধান সংস্কার পরিষদ গঠিত হবে। কিন্তু এটি গঠন হয়নি। তিনি বলেন, যে পদ্ধতিতে সংসদের অধিবেশন আহ্বান করা হবে, সেই একই পদ্ধতিতে সংবিধান সংস্কার পরিষদের অধিবেশন আহ্বান করা হবে। প্রধানমন্ত্রীর পরামর্শে প্রেসিডেন্ট সংসদের অধিবেশন আহ্বান করেছেন। এবারের সংসদ সদস্যরা দুটি আলাদা ভোটের মাধ্যমে দুটি ‘ক্যাপাসিটিতে’ নির্বাচিত হয়েছেন উল্লেখ করে ডা. শফিকুর রহমান বলেন, জুলাই আদেশ অনুযায়ী বিরোধী দলের ৭৭ জন সদস্য সংবিধান সংস্কার
পরিষদের সদস্য হিসেবে শপথ নিয়েছেন। এ আদেশ অনুসারে তাঁরা একই সঙ্গে সংসদ সদস্য ও সংবিধান সংস্কার পরিষদের সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালনের সুযোগ পেতে চান।
বিরোধীদলীয় নেতার বক্তব্যের পর স্পিকার বলেন, তিনি সরকারি দল থেকে বক্তব্য আশা করছেন। এরপর বিরোধীদলীয় নেতার বক্তব্যের জবাব দেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ও বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাহউদ্দিন আহমদ। শুরুতে তিনি স্পিকারের কাছে প্রশ্ন রাখেন কোন বিধিতে বিরোধীদলীয় নেতাকে ফ্লোর দেয়া হয়েছে। তিনি বলেন, যদি জরুরি জনগুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে কোনো মুলতবি প্রস্তাব আনতে হয়, সেটার জন্য বিধি আছে। সেই বিধিতে কোনো নোটিশ তিনি দিয়েছেন কি না। যদি জরুরি জনগুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে কোনো সংক্ষিপ্ত আলোচনা করতে হয়, সেই বিষয়ে বিধি ৬৮ অনুসারে কোনো নোটিশ দিয়েছেন কি না। সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, সংসদের অধিবেশন না থাকা অবস্থায় প্রেসিডেন্ট অধ্যাদেশ জারি করতে পারেন। কিন্তু সংবিধানের ধারা পরিবর্তন হবে বা সংবিধান পরিবর্তন হবে, এ রকম কোনো বিষয় অধ্যাদেশের মাধ্যমে আসতে পারে না। সেটা জায়েজ নয়। কিন্তু এই যে আদেশ (জুলাই জাতীয় সনদ বাস্তবায়ন আদেশ), এই আদেশটা না অধ্যাদেশ, না আইন। মাঝামাঝি জিনিস, সেদিন আমি বলেছিলাম, এটা হয়তো নিউটার জেন্ডার হতে পারে। এই আদেশটিকে ‘আরোপিত’ আদেশ উল্লেখ করে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, সংবিধান অনুযায়ী প্রেসিডেন্ট দুটি কাজ বাদে সবগুলো প্রধানমন্ত্রীর পরামর্শে করে থাকেন। একইভাবে এই সংসদের আহ্বানও তিনি করেছেন প্রধানমন্ত্রীর পরামর্শ অনুযায়ী। কিন্তু সংবিধানে সংবিধান সংস্কার পরিষদের অস্তিত্ব না থাকায় প্রধানমন্ত্রীও সেটা প্রেসিডেন্টকে পরামর্শ দিতে পারেন না। প্রেসিডেন্টও সেই অধিবেশন আহ্বান করতে পারেন না বিধায় তা করেননি।

সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, এখন যদি বিরোধী দলের প্রশ্ন অনুসারে প্রেসিডেন্টের জারি করা আদেশটা সাংবিধানিক হয়, সেটা নিয়ে এখানে আলোচনা হতে পারে। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, সংবিধান সংস্কার বাস্তবায়ন আদেশ এইটা এবং গণভোট অধ্যাদেশের নির্দিষ্ট অংশ কেন অসাংবিধানিক ঘোষণা করা হবে না মর্মে আদালত রুল জারি করেছেন। এখানে হয়তো বিচার বিভাগ মতামত দেবে। কিন্তু তাদের মতামত এই সার্বভৌম সংসদের ওপর কখনো বাইন্ডিং (বাধ্যতামূলক) না। কিন্তু সার্বভৌম সংসদ আবার এমন কোনো আইন প্রণয়ন করতে পারে না, যেটা জুডিশিয়ারিতে গিয়ে চ্যালেঞ্জ হয়ে বাতিল হয়ে যাবে বা ভায়োলেশন অব কনস্টিটিউশন হয়ে যাবে। সুতরাং উভয় দিকে লক্ষ্য রেখে জাতির বৃহত্তর স্বার্থে আইনানুগভাবে এবং সাংবিধানিকভাবে যেতে হবে।
ঘধমধফ অফ

তিনি বলেন, এখন যদি বলা হয় যে গণভোটের রায় বাস্তবায়নের জন্য সংবিধান সংস্কার পরিষদ গঠন করতে হবে, মানলাম। আমরা নির্বাচিত হয়েছি সাংবিধানিক ভোটে। নির্বাচন কমিশনের দুইটাই এখতিয়ার। একটা হচ্ছে জাতীয় সংসদের নির্বাচন অনুষ্ঠান করা, আরেকটা হচ্ছে প্রেসিডেন্টের নির্বাচন অনুষ্ঠান করা। এটা হচ্ছে কনস্টিটিউশনাল ম্যান্ডেট, যেটা নির্বাচন কমিশন পালন করতে বাধ্য। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, গণভোটের জন্য আরেকটা আইন হয়েছে। বিএনপিও এটা প্রস্তাব করেছিল। কিন্তু মাঝখানে আদেশটা জারি করে গণভোট দেয়া হলো চারটা প্রশ্ন। যে প্রশ্নের মধ্যে একটা বিশাল প্রশ্ন জুলাই জাতীয় সনদের সমঝোতা হয়নি। এটা একটা জবরদস্তিমূলক আরোপিত আদেশ করে সেই আদেশের একটা প্রশ্ন গণভোটের মধ্যে দেয়া হয়। চারটা প্রশ্ন হলেও মানুষ কোন কোন প্রশ্নে হ্যাঁ, কোন কোন প্রশ্নে না বলবে সে বিকল্প ছিল না। তিনি বলেন, তারপরও গণভোটের রায় যদি বাস্তবায়ন করতে হয়, সংবিধানে আগে সংস্কার আসতে হবে। তিনি বলেন, এই অধিবেশনে সংবিধান সংশোধন বিল আনা যাবে কি না, তা নিয়ে যথেষ্ট সন্দেহ আছে। কারণ, ১৩৩টা অধ্যাদেশ এখানে উত্থাপিত হয়েছে প্রথম দিনে। তিনি বলেন, কার্য উপদেষ্টা কমিটিতে যদি সিদ্ধান্ত হয়, সংসদ যদি সিদ্ধান্ত নেয়, তাহলে বাজেট অধিবেশনে সংবিধান সংশোধন বিল উত্থাপন হতে পারে। সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, আমি কোনো কিছু অস্বীকার করছি না। জনরায়কে সম্মান দিতে হবে, কিন্তু সেটা সাংবিধানিকভাবে দিতে হবে, আইনগতভাবে দিতে হবে। এখানে ইমোশনের কোনো জায়গা নেই। রাষ্ট্র ইমোশন দিয়ে চলে না। রাষ্ট্র চলে সংবিধান দিয়ে, আইন দিয়ে, কানুন দিয়ে। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বিষয়টি নিয়ে জাতীয় সংসদের কার্য উপদেষ্টা কমিটিতে আলোচনা করার প্রস্তাব দেন বিরোধীদলীয় নেতাকে। বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, আমরা জাতির কাছে অঙ্গীকার করেছি, জুলাই জাতীয় সনদ যেভাবে স্বাক্ষরিত হয়েছে, রাজনৈতিক সমঝোতার দলিল হিসেবে তার প্রতিটি শব্দকে সম্মান করবো। কিন্তু জুলাই জাতীয় সনদের বাইরে আরোপিত কোনো আদেশ দিয়ে, কোনো অবৈধ আদেশ দিয়ে সংবিধান সংশোধন করা যায় কি না, সেটা একটা বিশাল আইনি প্রশ্ন, সাংবিধানিক প্রশ্ন। তিনি সেটা নিয়েও বিতর্ক ও আলোচনার আহ্বান জানান।চড়ষরঃরপং

পরে বিরোধীদলীয় নেতা শফিকুর রহমানের উদ্দেশে স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ বলেন, আপনি অত্যন্ত জনগুরুত্বপূর্ণ একটি বিষয় উপস্থাপন করেছেন। এই ধরনের গুরুত্বপূর্ণ বিষয় অন দ্য স্পট সলিউশন দেয়া যায় না। এটার জন্য আপনি নোটিশ দেবেন। নোটিশ পাওয়ার পর আমি সিদ্ধান্ত দেব।

১৩৩ অধ্যাদেশ সংসদের বিশেষ কমিটিতে পাঠানো হলো
অন্তর্বর্তী সরকারের আমলে জারি করা ১৩৩টি অধ্যাদেশ জাতীয় সংসদের বিশেষ কমিটিতে পাঠানো হয়েছে। এগুলো পর্যালোচনা করে আগামী ২ এপ্রিলের মধ্যে কমিটিকে সংসদে প্রতিবেদন দিতে বলা হয়েছে। গতকাল জাতীয় সংসদে আইনমন্ত্রী আসাদুজ্জামান অধ্যাদেশগুলো বিশেষ কমিটিতে পাঠানোর প্রস্তাব করেন। পরে অধ্যাদেশগুলো বিশেষ কমিটিতে পাঠানো হয়।

সংবিধান অনুযায়ী রাষ্ট্রপতি কোনো অধ্যাদেশ জারি করলে এরপর অনুষ্ঠিত সংসদের প্রথম বৈঠকে ওই অধ্যাদেশ তুলতে হয়। সে অনুযায়ী গত বৃহস্পতিবার ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশনের প্রথম বৈঠকে অধ্যাদেশগুলো সংসদে তুলেছিলেন আইনমন্ত্রী। সাধারণত কোনো বিল যাচাই-বাছাই করে সংসদে প্রতিবেদন দেয় সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়-সম্পর্কিত সংসদীয় কমিটি। তবে এখন পর্যন্ত মন্ত্রণালয়-সম্পর্কিত সংসদীয় কমিটি গঠন করা হয়নি। অধ্যাদেশগুলো বাছাইয়ে ত্রয়োদশ সংসদের প্রথম বৈঠকে একটি বিশেষ কমিটি গঠন করা হয়েছিল। এই কমিটি অধ্যাদেশগুলো বাছাই করে প্রতিবেদন দেবে।

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশন চলবে আগামী ৩০ এপ্রিল পর্যন্ত। জাতীয় সংসদের কার্য উপদেষ্টা কমিটির প্রথম বৈঠকে এ সিদ্ধান্ত হয়। বৈঠক শেষে সংসদ সচিবালয়ের এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়। এতে বলা হয়, বৈঠকে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের প্রথম (২০২৬ খ্রিষ্টাব্দের ১ম) অধিবেশনের কার্যাদি সম্পন্নের জন্য সময় বরাদ্দ ও অধিবেশনের স্থায়িত্ব নিয়ে আলোচনা করা হয়। প্রেসিডেন্টের ভাষণের ওপর মোট ৫০ ঘণ্টা আলোচনার সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়। সরকারি ছুটির দিন ছাড়া রোজার পরে প্রতিদিন বেলা ৩টায় অধিবেশন অনুষ্ঠিত হবে এবং ৩০ এপ্রিল ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশন সমাপ্ত হবে বলে বৈঠকে সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়। প্রয়োজনে অধিবেশনের সময় ও কার্যদিবস সম্পর্কিত যেকোনো বিষয় পরিবর্তনের ক্ষমতা স্পিকারকে প্রদান করা হয়। এ অধিবেশনে প্রধানমন্ত্রীর জন্য ৮টি এবং অন্যান্য মন্ত্রীর জন্য ৪৬০টি প্রশ্নসহ মোট ৪৬৮টি প্রশ্ন পাওয়া গেছে। বিধি-৭১এ মনোযোগ আকর্ষণের নোটিশ পাওয়া গেছে ২৭টি এবং সিদ্ধান্ত-প্রস্তাবের সংখ্যা (বিধি-১৩১) এ ৯৭টি নোটিশ পাওয়া গেছে।

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের কার্য উপদেষ্টা কমিটির প্রথম বৈঠক জাতীয় সংসদ ভবনের ক্যাবিনেট কক্ষে অনুষ্ঠিত হয়। কমিটির সভাপতি জাতীয় সংসদের স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ (বীর বিক্রম) বৈঠকে সভাপতিত্ব করেন। কমিটির সদস্য, সংসদ নেতা ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বৈঠকে অংশ নেন। বৈঠকে আরও অংশ নেন কমিটির সদস্য বিরোধীদলীয় নেতা মো. শফিকুর রহমান, খন্দকার মোশাররফ হোসেন, স্থানীয় সরকারমন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, অর্থ ও পরিকল্পনামন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ, চিফ হুইপ মো. নুরুল ইসলাম, আইনমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান, এ টি এম আজহারুল ইসলাম, বিরোধী দলের চিফ হুইপ মো. নাহিদ ইসলাম ও মুহাম্মদ নওশাদ জমির। বৈঠকে স্পিকারের বিশেষ আমন্ত্রণে অংশগ্রহণ করেন জাতীয় সংসদের ডেপুটি স্পিকার ব্যারিস্টার কায়সার কামাল।

সর্বশেষ - সারাদেশ

আপনার জন্য নির্বাচিত

বিশ্বনেতারা দিল্লিতে, আজ শুরু হচ্ছে জি-২০ শীর্ষ সম্মেলন- ৭১বার্তা

সুষ্ঠু নির্বাচনের বিষয়টি দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের গুরুত্বপূর্ণ দিক

রায়গঞ্জে অবৈধ টপসয়েল কাটার দায়ে ৮৫ হাজার টাকা জরিমানা

বদরগঞ্জে মোটর মেকানিক ইকবালের  নির্মিত উড়োজাহাজ- ৭১বার্তা

ফুলকপি চাষে ব্যস্ত এখন মিঠাপুকুর ও ফুলবাড়ির চাষিরা- ৭১বার্তা

রংপুরে যুবকের বস্তাবন্দি লাশ উদ্ধার- ৭১বার্তা

বেলকুচিতে প্রযুক্তির অগ্রযাত্রায় নারীর পাশে আইএফআইসি ব্যাংক পিএলসি

সিরাজগঞ্জে “জিয়ামঞ্চ” সদর উপজেলার  নবগঠিত কমিটি’র পরিচিতি সভা

পোকা মাকড় ধরার নেশা থেকে দুনিয়ার সেরা গেম মেকার- ৭১বার্তা

কালাইয়ে সাংবাদিকদের সাথে নবাগত ইউএনও’র মতবিনিময়