১২ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, এখন সময় রাত ১১:৩৬ মিনিট
  1. অর্থ ও বাণিজ্য
  2. আন্তর্জাতিক
  3. খুলনা
  4. খেলা
  5. চাকরি
  6. জাতীয়
  7. ধর্ম
  8. নির্বাচন
  9. বিনোদন
  10. রাজনীতি
  11. শিক্ষাজ্ঞন
  12. শিল্প ও সাহিত্য
  13. সারাদেশ

পোকা মাকড় ধরার নেশা থেকে দুনিয়ার সেরা গেম মেকার- ৭১বার্তা

প্রতিবেদক
joysagor
আগস্ট ১১, ২০২৩ ৪:১১ অপরাহ্ণ

অল্প বয়সের একটা ছেলে। যার সমস্ত আবেগ ছিল পোকা মাকড় ধরায়। এই ধরনের পতঙ্গকে খোঁজার  কাজে ছেলেটা ঘণ্টার পর ঘণ্টা ব্যয় করতো। দ্রুতই সে বুঝতে শেখে তার এই আবেগ কেবলই কীটপতঙ্গ ধরার মাঝে সীমাবদ্ধ নয়।  সূত্র: একাত্তর টিভি
ছেলেটির একটাই লক্ষ্য ছিলো-এমন একটা জগৎ তৈরি কার যে জগতে থাকবে কেবলই তার কীটপতঙ্গ, একটা জগত যেখানে সে সব ধরনের পোকামাকড় আবিষ্কার করতে পারবে। এবং তা সংগ্রহ করতে পারবে। সে এটা বাস্তবেই করতে চেয়েছিল। কিন্তু সে জানত না তার এ স্বপ্ন কিভাবে সম্ভব হবে। ছেলেটা হয়তো জানতো না তার এ স্বপ্ন দুনিয়ার সব থেকে বড় ভিডিও গেইম ফ্রানচাইজিতে পরিণত হবে।

“পোকেমন” বিস্ময়কর যাত্রায় কিভাবে দুনিয়ায় ঝড় তুললো। ১৯৬৫ সাল জাপনে পৃথিবীর আলো দেখেন সাতোসী তাজেরী। শিশু তাজেরী বন-জঙ্গলে ঘুরে বেড়াতেন আর পোকা মাকড় ধরতেন। তিনি ছিলেন ভিডিও  গেমের পোকা। অবসর সময়ে তিনি স্থানীয় আর্কডে ভিডিও গেইম খেলেই কাটাতেন।

১৯৮২ মালে বন্ধুদের নিয়ে গেম ফ্রিক নামে একটা ম্যাগাজিন ও তৈরি করেছিল সে। এখানেই তার সাথে পরিচয় হয় কেন সুজিমরির যিনি পোকেমনের চিত্রকর। সাতোসী তার পরিকল্পনা সাজাতে থাকেন মুজিমরিকে নিয়ে। নতুন গেম  তৈরি করার পরিকল্পনায় ছিলেন সাতোসী যেখানে তার ছোটবেলা সংগ্রহ করা পোকা মাকড় জীবন্ত হয়ে উঠবে।

তিনি তার আইডিয়া নিয়ে গেলেন বড় গেইম  কোম্পানি নিনটেন্ডোর কাছে। যেখানে গেমাররা নিজেদের পোকামাকড় সংগ্রহ করবে এবং লড়াই করবে। নিনটেন্ডো এই প্রজেক্টে সন্তুষ্ট হয়নি। তারা ভেবে ছিল গেমাররা এটা পছন্দ করবে না। কিন্তু সাতোসী পিছু হাঁটলো না। তিনি দিনে ১৮-২০ ঘন্টা এক নাগারে কাজ করতে শুরু করলেন। এরং নিনটেন্ডোকে আরেকটি সুযোগ দেওয়ার অনুরোধ জানালেন।

নিনটেন্ডো কিংবদন্তী গেম মেকার সিগুরু নিয়ামতোর সাথে সাতোসীর কাজ করার সুযোগ করে দিলেন। ৬ বছর টানা কাজ করলো তারা। ১৯৯৬ সালে ২৭ ফেব্রুয়ারি ‘পকেট মন্সটার’ বাজারে ছাড়া হলো। এর ২ টি ভার্সন ছিলো লাল এরং সবুজ। ফ্রানচাইজিটি যুক্তরাষ্ট্র সহ বিভিন্ন দেশে ব্যাপক জনপ্রিয় হয়ে উঠে।

নিনটেন্ডো এ জনপ্রিয়তা দেখে গেমটির তৃতীয় ভার্সন নিয়ে আসে। পকেট মনস্টার ব্ল্।ু যার নাম বদলে করা হয় পোকেমন। ১৯৯৮ সালে ইংরেজিতে কথা বলার দেশগুলোতে পোকেমন ব্লু এবং পোকেমন রেড নামে গেম মুক্তি পায়।

হুহু করে বিক্রি হয় লাখ লাখ কপি। অল্পতেই জনপ্রিয় হয় উঠে গেমটি। পরবর্তী বছরগুলোতে পোকেমন গেমে আরও ৭ টি জেনারেশন রিলিজ হয়। বর্তমানে ৮৮৯টি প্রজাতির পোকেমন আছে। সম্পাদনা: শেখ মওদুদ আহমাদ।

সর্বশেষ - জাতীয়

আপনার জন্য নির্বাচিত

সিরাজগঞ্জ সরকারি কলেজ ছাত্রদল আহ্বায়কের বিরুদ্ধে মিথ্যা অপপ্রচার ও মানহানির প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন

পোকা মাকড় ধরার নেশা থেকে দুনিয়ার সেরা গেম মেকার- ৭১বার্তা

খালেদা জিয়ার সুস্থতা কামনায় বগুড়ার গাবতলীর স্বেচ্ছাসেবক দলের দোয়া

কর্ণসূতি নবজাগরণ প্রীতি প্রমীলা নারী ফুটবল ম্যাচে নাটোরকে ২-১ গোলে হারালো সিরাজগঞ্জ

চুয়াডাঙ্গায় ফার্স্ট ক্যাপিটাল ইউনিভার্সিটি অব বাংলাদেশের মতবিনিময় সভা

রায়গঞ্জে তীব্র শীত ও ঘন কুয়াশায় বোরো বীজতলার ক্ষতি, দুশ্চিন্তায় কৃষক

কালাইয়ে ব্যাপক আয়োজনে মহান বিজয় দিবস উদযাপন

লিবিয়ায় সংঘাত আর বিভাজনের অবহেলা কেড়ে নিল হাজারো প্রাণ- ৭১বার্তা

আজ ৭১বার্তা’র ফুলবাড়ির সাংবাদিক উত্তম কুমার মোহন্তের অপারেশন, সকলের নিকট আশির্বাদ প্রার্থী – ৭১বার্তা

বেলকুচিতে শেরনগর গ্রামবাসীর উদ্যোগে অষ্টকালীন লীলা কীর্তন অনুষ্ঠিত