২রা মার্চ, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, এখন সময় রাত ৩:২২ মিনিট
  1. অর্থ ও বাণিজ্য
  2. আন্তর্জাতিক
  3. খুলনা
  4. খেলা
  5. চাকরি
  6. জাতীয়
  7. ধর্ম
  8. নির্বাচন
  9. বিনোদন
  10. রাজনীতি
  11. শিক্ষাজ্ঞন
  12. শিল্প ও সাহিত্য
  13. সারাদেশ

পোকা মাকড় ধরার নেশা থেকে দুনিয়ার সেরা গেম মেকার- ৭১বার্তা

প্রতিবেদক
joysagor
আগস্ট ১১, ২০২৩ ৪:১১ অপরাহ্ণ

অল্প বয়সের একটা ছেলে। যার সমস্ত আবেগ ছিল পোকা মাকড় ধরায়। এই ধরনের পতঙ্গকে খোঁজার  কাজে ছেলেটা ঘণ্টার পর ঘণ্টা ব্যয় করতো। দ্রুতই সে বুঝতে শেখে তার এই আবেগ কেবলই কীটপতঙ্গ ধরার মাঝে সীমাবদ্ধ নয়।  সূত্র: একাত্তর টিভি
ছেলেটির একটাই লক্ষ্য ছিলো-এমন একটা জগৎ তৈরি কার যে জগতে থাকবে কেবলই তার কীটপতঙ্গ, একটা জগত যেখানে সে সব ধরনের পোকামাকড় আবিষ্কার করতে পারবে। এবং তা সংগ্রহ করতে পারবে। সে এটা বাস্তবেই করতে চেয়েছিল। কিন্তু সে জানত না তার এ স্বপ্ন কিভাবে সম্ভব হবে। ছেলেটা হয়তো জানতো না তার এ স্বপ্ন দুনিয়ার সব থেকে বড় ভিডিও গেইম ফ্রানচাইজিতে পরিণত হবে।

“পোকেমন” বিস্ময়কর যাত্রায় কিভাবে দুনিয়ায় ঝড় তুললো। ১৯৬৫ সাল জাপনে পৃথিবীর আলো দেখেন সাতোসী তাজেরী। শিশু তাজেরী বন-জঙ্গলে ঘুরে বেড়াতেন আর পোকা মাকড় ধরতেন। তিনি ছিলেন ভিডিও  গেমের পোকা। অবসর সময়ে তিনি স্থানীয় আর্কডে ভিডিও গেইম খেলেই কাটাতেন।

১৯৮২ মালে বন্ধুদের নিয়ে গেম ফ্রিক নামে একটা ম্যাগাজিন ও তৈরি করেছিল সে। এখানেই তার সাথে পরিচয় হয় কেন সুজিমরির যিনি পোকেমনের চিত্রকর। সাতোসী তার পরিকল্পনা সাজাতে থাকেন মুজিমরিকে নিয়ে। নতুন গেম  তৈরি করার পরিকল্পনায় ছিলেন সাতোসী যেখানে তার ছোটবেলা সংগ্রহ করা পোকা মাকড় জীবন্ত হয়ে উঠবে।

তিনি তার আইডিয়া নিয়ে গেলেন বড় গেইম  কোম্পানি নিনটেন্ডোর কাছে। যেখানে গেমাররা নিজেদের পোকামাকড় সংগ্রহ করবে এবং লড়াই করবে। নিনটেন্ডো এই প্রজেক্টে সন্তুষ্ট হয়নি। তারা ভেবে ছিল গেমাররা এটা পছন্দ করবে না। কিন্তু সাতোসী পিছু হাঁটলো না। তিনি দিনে ১৮-২০ ঘন্টা এক নাগারে কাজ করতে শুরু করলেন। এরং নিনটেন্ডোকে আরেকটি সুযোগ দেওয়ার অনুরোধ জানালেন।

নিনটেন্ডো কিংবদন্তী গেম মেকার সিগুরু নিয়ামতোর সাথে সাতোসীর কাজ করার সুযোগ করে দিলেন। ৬ বছর টানা কাজ করলো তারা। ১৯৯৬ সালে ২৭ ফেব্রুয়ারি ‘পকেট মন্সটার’ বাজারে ছাড়া হলো। এর ২ টি ভার্সন ছিলো লাল এরং সবুজ। ফ্রানচাইজিটি যুক্তরাষ্ট্র সহ বিভিন্ন দেশে ব্যাপক জনপ্রিয় হয়ে উঠে।

নিনটেন্ডো এ জনপ্রিয়তা দেখে গেমটির তৃতীয় ভার্সন নিয়ে আসে। পকেট মনস্টার ব্ল্।ু যার নাম বদলে করা হয় পোকেমন। ১৯৯৮ সালে ইংরেজিতে কথা বলার দেশগুলোতে পোকেমন ব্লু এবং পোকেমন রেড নামে গেম মুক্তি পায়।

হুহু করে বিক্রি হয় লাখ লাখ কপি। অল্পতেই জনপ্রিয় হয় উঠে গেমটি। পরবর্তী বছরগুলোতে পোকেমন গেমে আরও ৭ টি জেনারেশন রিলিজ হয়। বর্তমানে ৮৮৯টি প্রজাতির পোকেমন আছে। সম্পাদনা: শেখ মওদুদ আহমাদ।

সর্বশেষ - অর্থ ও বাণিজ্য

আপনার জন্য নির্বাচিত

বেলকুচিতে শেরনগর গ্রামবাসীর উদ্যোগে অষ্টকালীন লীলা কীর্তন অনুষ্ঠিত

মানিকগঞ্জের ৩টি আসনে জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ১৮টি মনোনয়ন বৈধ এবং ৯টি বাতিল

বিভেদের রাজনীতি নয়, ঐক্যের রাজনীতি চাই: বিএনপির মনোনীত প্রার্থী সেলিম রেজা

শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস ও সিরাজগঞ্জ মুক্ত দিবস উপলক্ষে জেলা বিএনপি’র শ্রদ্ধা নিবেদন

শাহজাদপুর কলেজছাত্র সাব্বির হত্যা মামলার যাবজ্জীবন সাজাপ্রাপ্ত পলাতক আসামি গ্রেফতার

দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণে সরকার আন্তরিক, বললেন বাণিজ্যমন্ত্রী – ৭১বার্তা

বদলগাছীতে শীতের দাপটে জনজীবন বিপর্যস্ত; সরকারি সহায়তার আবেদন

নির্বাচন ও গণভোটের জন্য নির্বাচন কমিশন সম্পূর্ণ প্রস্তুত : প্রধান উপদেষ্টা

সবুজ কানুন স্কুল এন্ড কলেজের এসএসসি পরীক্ষার্থীদের পক্ষ থেকে ফুলেল শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন

নয়াদিল্লি পৌঁছেছেন শেখ হাসিনা- ৭১বার্তা