নাটোর থেকে:
দেশের যুব সমাজের জন্য এক অনন্য উদ্যোগ, যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের নেতৃত্বে ‘শিক্ষিত কর্মপ্রত্যাশী যুবদের জন্য ফ্রিল্যান্সিং প্রশিক্ষণের মাধ্যমে কর্মসংস্থান’ প্রকল্পের সফলতা দিন দিন বাড়ছে। গত (১৯ ও ২০ডিসেম্বর) সারাদেশের) সারাদেশের মতো নাটোরে প্রকল্পের ভর্তি ও মৌখিক পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়েছে। ই-লার্নিং অ্যান্ড আর্নিং লিমিটেডের নাটোর জেলা কার্যালয়ে যুব উন্নয়ন অধিদপ্তর ও বিভিন্ন প্রশিক্ষক, সাংবাদিক, ও কর্মকর্তাদের উপস্থিতিতে এই গুরুত্বপূর্ণ পরীক্ষাগুলো সম্পন্ন হয়। পরিদর্শনকালে উপস্থিত ছিলেন যুব উন্নয়ন অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক (পরিকল্পনা) মো. শওকত আলী, নাটোর জেলা প্রশাসকের প্রতিনিধি ও সহকারী কমিশনার শ্রী সোহাগ বাবু, রাজশাহী বিভাগীয় প্রধান রাজু আহমেদ, জেলা যুব উন্নয়ন অধিদপ্তরের সহকারী উপপরিচালকসহ অন্যান্য কর্মকর্তারা।
এই উদ্যোগ যুবকদের স্বাবলম্বী করে তুলছে, বেকারত্বের অন্ধকার ঝাপসা করে দিয়ে তৈরি করছে নতুন উদ্যোক্তা ও স্বনির্ভর সমাজ।
জানা যায়, ৫ম ব্যাচের জন্য এবার আবেদন করেছেন ৬৩৫ জন প্রার্থী। পূর্বেে চারটি ব্যাচে ২’শ ২৫জন যুব ও যুব মহিলাদের প্রশিক্ষণ সম্পন্ন হয়েছে। এই সংখ্যার অর্ধেকেরও বেশি আরও সরাসরি আয় ও উদ্যোক্তা কার্যক্রমে জড়িয়ে পড়েছেন, যা দেখায় এই উদ্যোগের বাস্তব প্রভাব। প্রশিক্ষণকালীন সময়ে প্রতিটি অংশগ্রহণকারী পাচ্ছেন দৈনিক ২০০ টাকা ভাতা, পাশাপাশি সকালের নাস্তা, দুপুরে খাবার, বিকালের নাস্তা ও প্রয়োজনীয় প্রশিক্ষণ উপকরণ দেওয়া হবে। যেখানে কেবল প্রশিক্ষণই নয়, জীবনমান উন্নয়নও নিশ্চিত হবে বলে জানা গেছে।
রাজশাহী বিভাগীয় প্রধান রাজু আহমেদ বলেন, এই প্রকল্পের মাধ্যমে দক্ষ জনশক্তি গড়ে তোলার মাধ্যমে দেশের অর্থনীতিতে ইতিবাচক পরিবর্তন আসছে। যুবকদের আত্মবিশ্বাস ও উদ্যোক্তা মনোভাব বৃদ্ধি পাচ্ছে, যা আমাদের স্বপ্নের দেশ গড়ার পথে এক নতুন দিক নির্দেশ করছে।
নাটোরে এই প্রশিক্ষণ কার্যক্রমের পরিদর্শন করে যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব আমেনা বেগম বলেন, প্রকল্পটি অত্যন্ত সুসংগঠিত ও লক্ষ্যভেদে কার্যকর। ই-লার্নিং অ্যান্ড আর্নিং লিমিটেডের এমডি মাসুদ আলমের নেতৃত্বে এই উদ্যোগের সফলতা প্রশংসনীয়। আমি বলবো, যুব সমাজের এই প্রশিক্ষণ শুধু কাগজে নয়, বাস্তবে জীবন বদলে দেয়ার এক অনন্য দৃষ্টান্ত।


















